advertisement
আপনি দেখছেন

বিশ্বকাপের পর ব্যস্ত সময় কাটছে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের। শ্রীলঙ্কা সফর, আফগানিস্তান সিরিজ, ত্রিদেশীয় সিরিজ, বিপিএল, ভারত সিরিজ, পাকিস্তান সিরিজ তারপর জিম্বাবুয়ে সিরিজ- বিশ্বকাপের পর টানা খেলার মধ্যেই আছেন ক্রিকেটাররা। কিন্তু তরুণ পেস অলরাউন্ডার সাইফুদ্দিনকে কোথাও দেখা যায়নি। বিশ্বকাপে পুরনো পিঠের ইনজুরিটা বেড়ে যায় ডানহাতি পেসারের। ঝুঁকি না নিয়ে তাকে লম্বা পুনর্বাসনে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয় বিসিবি। লম্বা সময় পর ফিরেই কণ্ঠে আত্মবিশ্বাস সাইফুদ্দিনের।

mohammad saifuddin world cup warm up 2019

সতীর্থরা মাঠে লড়াই করছিলেন অন্যদিকে দীর্ঘ পাঁচ মাস বাড়িতে বসে থাকতে হয়েছে, খারাপ লাগেনি? এমন প্রশ্নে তরুণ পেস অলরাউন্ডারের জবাব, ‘সব পেসারই চোট সারিয়ে মাঠে ফেরেন। এটা আমার অভ্যাস হয়ে গেছে। এটা তো প্রথম না। চোটের কারণে হয়তো পাঁচ মাস মতো দলের বাইরে ছিলাম। কিন্তু আমি বাজে পারফরম্যান্সের কারণে দল থেকে বাইরে ছিলাম আট মাস। এসবে আমি অভ্যস্ত।’

বিশ্বকাপের আগে রঙিন পোশাকের ক্রিকেটে দুর্দান্ত পারফর্ম করছিলেন সাইফুদ্দিন। বিশ্বকাপেও তার পারফরম্যান্সের গ্রাফ ছিল ঊর্ধ্বমুখী। দীর্ঘ পাঁচ মাস বাইরে থাকার পর ক্রিকেটে ফেরা সাইফের মধ্যে নিশ্চয় ফর্ম অব্যাহত রাখার তাড়া থাকবে। এসব আবার ইনজুরি ডেকে আনবে না তো?

তরুণ তারকা বললেন, ‘দেখেন ইনজুরির কোন নিশ্চয়তা নেই। আমার পিঠের ব্যথা পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় ঠিক করেছি। তবে চোটে পড়ব কী পড়ব না এটা তো আসলে বলা যায় না। চোট শুধু পিঠে নয়, হ্যামস্ট্রিং বা হাঁটুতেও হতে পারে। এসব এড়ানোর জন্য দীর্ঘ পাঁচ মাস কাজ করেছি। কিন্তু বলা কঠিন ফের চোট পাব কিনা। ফিল্ডিং করতে গেলেও তো চোট পেতে পারি।’

তরুণ এই ক্রিকেটারের মতো একজন পারফরমার অনেকদিন ধরেই খুঁজছিল বাংলাদেশ, যে কিনা পেস বোলিং করবেন আবার সাত-আট নম্বরে ব্যাটিংও করবেন। চোট ফেরৎ সাইফকে নিয়ে জিম্বাবুয়ে সিরিজে বড় পরিকল্পনার কথা জানিয়ে রেখছেন প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু।