advertisement
আপনি দেখছেন

শুরুটা ছিল চমক জাগানিয়া, আর শেষে তীরে এসে তরী ডুবলো। এ রকমই ছিল মেলবোর্নের জাংশন ওভালে বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার নারী ক্রিকেট দলের ম্যাচের চিত্র।

ban women22

ছেলেদের ক্রিকেটে এর আগে অসংখ্যবার একে অন্যের বিপক্ষে মাঠে নামলেও বাংলাদেশ নারী দল এই প্রথম খেলল নিউজিল্যান্ড নারী দলের বিপক্ষে। এমনকি এর আগে কোনো প্রস্তুতি ম্যাচও খেলা হয়নি দুই দলের। অচেনা প্রতিপক্ষের বিপক্ষে সেই চেনা ব্যাটিং ব্যর্থতাই হারিয়েছে নারী দলকে।

অথচ টস হেরে বোলিং পাওয়া নারী টাইগাররা বেশ নিয়ন্ত্রিত বোলিং দিয়েই খেলা শুরু করে। পাওয়ার প্লের ছয় ওভারে নিউজিল্যান্ড কোনো উইকেট না হারিয়ে তোলে ৩৩ রান। সপ্তম ওভারে এসে বাংলাদেশ পায় প্রথম সাফল্যের দেখা। অধিনায়ক সালমা খাতুন সোফি ডিভাইনকে ফিরিয়ে বিপক্ষ শিবিরে আঘাত হানেন। নিজের পরের ওভারেই ওপেনার র‍্যাচেল প্রিস্টকেও ফেরান তিনি।

এরপর ৬৬ রানে সুজি বেটসকে রিতু মিনু ফেরালে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ডের মেয়েরা। শেষ অবধি ১৮.২ ওভারে ৯১ রানে গুটিয়ে যায় কিউই মেয়েরা।

বাংলাদেশের পক্ষে সেরা বোলার ছিলেন ৪ ওভারে ১৮ রান খরচায় ৪ উইকেট নেওয়া রিতু মনি। এ ছাড়া অধিনায়ক সালমা খাতুন ৩ ও রোমানা আহমেদ নেন ২ উইকেট।

৯২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৭ রানে বাংলাদেশ নারী দল হারায় প্রথম উইকেট। ওপেনার মুর্শিদা খাতুন ফেরেন ১১ রান করে। পাওয়ার প্লেতে ২৩ রান তুলতেই দুই উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশের মেয়েরা। আর ১৪.২ ওভারে দলের রান যখন ৫০, ততক্ষণে খুইয়ে বসে ৫ উইকেট।

নিগার সুলতান ছাড়া মিডল অর্ডারে বাকিদের ব্যাটিং ব্যর্থতায় ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় দল। নিগারের ব্যাট থেকে আসে সর্বোচ্চ ২১ রান। বাংলাদেশ দল ১৯.৫ ওভারে অল আউট হয় ৭৪ রানে।

১৭ রানে হেরে প্রথমবার কিউই মেয়েদের মুখোমুখি হওয়ার উপলক্ষ জয়ে রাঙ্গাতে পারেনি সালমা খাতুনের দল। ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হন তিন উইকেট নেওয়া নিউজিল্যান্ডের বোলার হেইলি জেনসেন।