advertisement
আপনি দেখছেন

সেঞ্চুরি করেছেন লিটন দাস। হাফসেঞ্চুরি হলো মোহাম্মদ মিঠুনের। ব্যাট করতে আসা বাকি প্রায়সবাই রান পেয়েছে কম-বেশি। তাতেই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে রানের পাহাড় হলো বাংলাদেশের। আজ সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে ছয় উইকেটে ৩২১ রান তুলেছে স্বাগতিক শিবির।

liton das 2020

ওয়ানডে ক্রিকেটে এটা বাংলাদেশের সর্বোচ্চ অষ্টম সংগ্রহ। তবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে এটাই টাইগারদের সেরা ইনিংস। এই দলটার বিপক্ষে ২০০৯ সালে আট উইকেটে ৩২০ রান করেছিল বাংলাদেশ। আজ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে নিজেদের আরেকবার ছাড়িয়ে গেল টাইগাররা।

টস জিতে আগে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশের শুরুটা খারাপ হয়নি। উদ্বোধনী জুটিতে তামিম ইকবাল ও লিটন দাস এনে দিলেন দুর্দান্ত এক ভিত। তামিম ফিরে গেলেন অল্পতে; উইকেটে থিতু হওয়ার পর। ২৪ রানে ফিরেছেন তামিম। ১৩তম ওভারে দলীয় ৬০ রানে ভাঙে জুটি।

এরপর নাজমুল হোসেন শান্তকে নিয়ে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে লিটন গড়েন ১৪০ রানের জুটি। যেখানে শান্তর অবদান ২৯। ততক্ষণে পুরোদস্তুর আগ্রাসী মেজাজে লিটন। জিম্বাবুইয়ান বোলারদের বিরুদ্ধে ধারণ করেন অগ্নিরূপ। বিধ্বংসী ইনিংসে তুলে নেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। তার আগের শতকটি ছিল ২০১৮ সালে; ভারতের বিপক্ষে এশিয়া কাপের ফাইনালে।

লিটন অবশ্য আউট হননি। তবে দেড় শ’র আশা জাগিয়ে ফিরে গেছেন চোট নিয়ে। ইনিংসের দ্বিতীয় ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে পেশীর টান লাগে তার। লিটন আর ফিরতে পারেননি। ১০৫ বলে ১২৬ রানে থামতে হয় তাকে। ইনিংসে ১৩টি বাউন্ডারি রয়েছে তার। তখন দলের সংগ্রহ দুশো ছাড়িয়েছে।

অবশ্য লিটন ফিরে গেলেও অন্যরা ঠিকই পুষিয়ে দিয়েছেন। মাহমুদউল্লাহ ৩২ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেছেন। ৫০ রানে ফেরেন মিঠুন। ফেরার ম্যাচে পেস বোলিং অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন রীতিমতো বিস্ফোরণ ঘটালেন। ১৫ বলের ইনিংসে তিন ছক্কায় ২৮ রান করেছেন সাইফুদ্দিন।

তার তাণ্ডবে অনেকটাই আড়ালে থেকে গেছেন মাশরাফি বিন মর্তুজার নয় মাস পর মাঠে ফেরাটা। ইনিংসের সাত বল বাকি থাকতে ব্যাটিংয়ে নামেন সাম্প্রতিককালের বহুল আলোচিত এই অধিনায়ক। গ্যালারি থেকে তার নামের গগনবিদারী চিৎকার হলেও হতাশ হতে হলো দর্শকদের। স্ট্রাইকই পাননি মাশরাফি!