advertisement
আপনি দেখছেন

মাশরাফি বিন মর্তুজার ভবিষ্যত নিয়ে ধোঁয়াশা যেন কাটছেই না। গতকাল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজ শুরুর আগে সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়কের অবসর প্রসঙ্গ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। উত্তরে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছিলেন ‘নড়াইল এক্সপ্রেস’।

nazmul hasan and captain mashrafe

ক্ষোভ ঝেরেছেন সাংবাদিক বৈঠকে। পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে গণমাধ্যমকে উদ্দেশ করে বলেছিলেন ‘আমি কি চোর? লজ্জা কীসের।’ এরপর আরো অনেক কথা। কার্যত মাশরাফির এই সংবাদ সম্মেলন নিয়ে দেশজুড়ে বয়ে যাচ্ছে বিতর্কের ঝড়। পক্ষে-বিপক্ষে নানামুনির নানা মত।

এর মধ্যেই আজ ঘটা করে সংবাদ সম্মেলনের ডাক দিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। তবে মাশরাফি নয়, সিলেট স্টেডিয়াম ও একাডেমির উন্নয়ন প্রক্রিয়া নিয়ে কথা বলতে।

তাই বৈঠক শুরুর আগেই বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস অন্য কোনো ইস্যু (মাশরাফির অবসর প্রসঙ্গ) নিয়ে প্রশ্ন না করার পরামর্শ দেন গণমাধ্যমকে।

তবু সংবাদ সম্মেলনের শেষ পর্যায়ে প্রসঙ্গক্রমে চলে এসেছে মাশরাফি ইস্যুটা। উত্তরে যেন প্রচারমাধ্যমকেই খোঁচা দিলেন বোর্ড প্রধান। নাজমুলের দাবি, প্রচারমাধ্যমই নাকি অধিনায়ককে উসকে দিয়েছে ‘অসংলগ্ন কথাবার্তা’ বলতে।

মাশরাফিকে সমর্থন দিয়ে পাপন বলেন, ‘আপনারা (গণমাধ্যম) মনে হয় ওকে বেশি খোঁচাচ্ছিলেন। এই সময়ে আপনাদের সমর্থন ওর দরকার ছিল। অধিনায়ক কে হবে সেটা বোর্ডের সিদ্ধান্ত। সে কখন অবসর নেবে এটা তার ব্যাপার।’

বোর্ড প্রধানের কথাতেও অবশ্য ধোঁয়াশা কাটল না। আগের অবস্থার যেন পুনরাবৃত্তি ঘটলো। মাশরাফি যেমন নিজের ক্যারিয়ারের সিদ্ধান্ত বোর্ডের ওপর ছেড়ে দিয়েছেন তেমনি বিসিবি প্রধান আবার বল অধিনায়কের কোর্টে পাঠিয়ে দিয়েছেন। নাজমুল হাসান জানান, মাশরাফিকে যা বলা হয়েছে তাই বলেছেন মিডিয়ার সামনে।

সংবাদ সম্মেলনে মাশরাফি ইস্যুতে অনুরোধ করলেন বোর্ড প্রধান, ‘যেটা বলা হয়েছে সে ওটাই বলেছে। আমি আপনাদের কাছে অনুরোধ করছি (মাশরাফির অবসর প্রসঙ্গ নিয়ে কথা না বলতে)। আমাদের যেমন সাকিবের বিকল্প নেই; তেমনি মাশরাফির নেতৃত্বের।’

বিসিবি প্রধান আরো বলেন, ‘মাশরাফির ব্যাপারটা আলাদা। আমরা চেষ্টা করেছি মাশরাফিকে যতটা সুযোগ দেওয়া যায়। এর আগে আমরা মুশফিকের বদলে মাশরাফিকে অধিনায়ক করেছি। এটা আলোচনা করা হয়েছিল।’