advertisement
আপনি দেখছেন

আগের ম্যাচে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সর্বোচ্চ রানের নতুন রেকর্ড গড়েছিল বাংলাদেশ জাতীয় দল। আজ সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে সেটাও ভেঙে ফেলল টাইগাররা। তামিম ইকবালের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ের সুবাদে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে তিন শ ছাড়িয়েছে স্বাগতিক শিবির।

tamim iqbal 2020 1

জিম্বাবুইয়ান বোলারদের বেধড়ক পিটিয়ে নির্ধারিত ওভারে আট উইকেটে ৩২২ রানের পাহাড় গড়েছে বাংলাদেশ। আগের ম্যাচে ৩২১ রান করেছিল টাইগাররা। টানা দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাটসম্যানরা তাদের কাজটা করে দিয়েছেন। এবার সিরিজ জয়ের দায়িত্ব বোলারদের কাঁধে।

বড় সংগ্রহের ভিতটা গড়ে দিয়েছেন তামিম। আজ নিজের ছায়া থেকে বেরিয়ে এসেছেন দেশ সেরা ওপেনার। তুলে নিয়েছেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দ্বাদশ সেঞ্চুরি। তামিম থেমেছেন ক্যারিয়ার সেরা ১৫৮ রান করে। রাজসিক এই ইনিংসটা খেলার তিনি সঙ্গ পেয়েছেন মিডল অর্ডারের দুই ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের কাছ থেকে।

প্রথমজনের এই ম্যাচের একাদশে থাকা নিয়ে জেগেছিল সংশয়। শেষ অবধি ব্যাট হাতে মাঠে নেমেছেন মুশি। ৫৫ রানের দারুণ ইনিংসে বাংলাদেশের রানের চাকায় দিয়েছেন বাড়তি গতি। ৫০ বলের ইনিংসে ছয়টি চার মেরেছেন মুশি। মাহমুদুল্লাহ ৪১ রানে ফিরেছেন ৫৭ বল খরচ করে। শেষ দিকে মোহাম্মদ মিঠুনের ১৮ বলে বলে ৩২ রানের ক্যামিও ইনিংসে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে নতুন রেকর্ড গড়ে বাংলাদেশ।

ইনিংসের শেষ বলে বাউন্ডারি মেরেই নিজেদের ছাড়িয়ে যায় টাইগাররা। নতুন রেকর্ড গড়ার মূল কাজটা করে দিয়েছেন তামিম। স্বাভাবিকভাবেই সব আলো ছিল তার দিকে। ২১ মাস ও ২৩ ম্যাচ পর তামিম পেয়েছেন স্বপ্নের শতক। সেঞ্চুরির জন্য তাকে কখনোই এতটা সময় অপেক্ষা করতে হয়নি।

দুঃসময়কে তিনি জবাব দিয়েছেন দেড় শ ছাড়িয়ে; ক্যারিয়ার সেরা ইনিংসে। ১৩৬ বলের ইনিংসে তামিম চার মেরেছেন কুড়িটি। ছক্কা তিনটি। জিম্বাবুয়ের বোলারদের পক্ষে সবচেয়ে সফল কার্ল মুম্বা ও ডোনাল্ড ত্রিপানো দুটি করে উইকেট নিয়েছেন। একটি করে উইকেট নন টিসুমা ও মাধভেরে।