advertisement
আপনি দেখছেন

ব্যাটে রানখরা অনেক দিন। ব্যাটিংয়ের ধরন নিয়েও সমালোচনা কম হয়নি। প্রবল চাপের মুখে খোলস ছেড়ে তিনি বেড়িয়ে এসেছেন ক্যারিয়ার সেরা ১৫৮ রানের বিস্ফোরক ইনিংস খেলে। মঙ্গলবার জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডেতে এমনই বিধ্বংসীরূপে হাজির হয়েছিলেন দেশ সেরা ওপেনার। তামিমের এই বদলে যাওয়ার নেপথ্যে টিম ম্যানেজমেন্টের অসীম ধৈর্য্য, অনুপ্রেরণা ও ব্যক্তিগত তাড়না।

papon tamim

আজ বুধবার আরো একজন পেছনের নায়ককে সামনে আনলেন টাইগার ওপেনার। তামিম জানালেন সেঞ্চুরিতে ফেরার পেছনে কাজ করেছে প্রবল চাপ, নিজের আত্মবিশ্বাস, বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের একটা ফোন কল এবং প্রেরণাদায়ক কিছু কথা। আজ বোর্ড প্রধানের প্রতি স্বভাবতই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন তামিম।

এদিন টিম হোটেলে গণমাধ্যমকে তিনি বলেছেন, ‘বোর্ড থেকেও আমাকে সাহায্য করেছে, যেটা না বললেই নয়। শেষ ম্যাচের আগেরদিন বোর্ড প্রেসিডেন্ট (নাজমুল) আমাকে ফোন করেছিলেন, অনেক ভালো ভালো কথা বলেছিলেন যেগুলো আসলে ভালো লাগার মতো।’ বদলে যাওয়া তামিম ছন্দটা ধরে রাখতে চান এখন, ‘সুন্দর একটা শুরু হয়েছে। এবার এটাই চেষ্টা করব, সবসময়ই চেষ্টা করি যে ভালো কিছু করার। যদিও সবসময় সম্ভব হয় না। এভাবেই চেষ্টা করে যাব, দেখা যাক কী হয়।’

অবশ্য বোর্ড প্রধানের নাম বিশেষভাবে বলার আগেই অন্যদের সমর্থনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তামিম, ‘অনেককেই এটার (সেঞ্চুরি) পেছনে কৃতিত্ব দেয়া উচিৎ। টিম ম্যানেজম্যান্ট বলেন অথবা আমার সতীর্থদের কথাই বলেন। তারা সবসময় আমার ওপর ভরসাটা রেখেছে। কখনও এক মিনিটের জন্যও বিশ্বাস হারাননি। দেখা গেছে আমিও হয়তো মাঝেমাঝে হতাশ হয়ে পড়েছি। কিন্তু তারা নিশ্চিত করেছে যেন এটা আমাকে গ্রাস না করে। সাধারণত দেখা যায় যে, খারাপ সময়ে পাশে কেউ নেই। কিন্তু আমার কাছে যারা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ, সতীর্থ ও ম্যানেজম্যান্ট- তারা সবসময় আমাকে সমর্থন দিয়েছেন।’

তামিম মানছেন কালকের ইনিংসটা খেলার আগে চাপে ছিলেন তিনি, ‘হ্যাঁ। খানিকটা চাপে তো ছিলামই। এটা অস্বীকার করলে মিথ্যা বলা হবে। তবে আমার মনে হয় যে, একটা ইতিবাচক জিনিস ছিল। (সম্প্রতি) আমি ব্যাটিং খুব ভালো করছিলাম। হয়তো বড় রান আসছিল না। কিন্তু টেস্টে যেটায় ৪১ করলাম অথবা পাকিস্তানে ৩৪-৩৫ করেছিলাম- সেগুলোতে আমি সত্যিই খুব ভালো ব্যাটিং করছিলাম। এমনকি অনুশীলনেও ব্যাটিংটা খুব ভাল হচ্ছিল। তাই বিশ্বাসটা সবসময়ই ছিলো যে, (রানে ফেরা) এটা শুধু সময়ের ব্যাপার। যেকোনো সময় হয়ে যাবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত অনেকদিন ধরেই হচ্ছিল না।’