advertisement
আপনি দেখছেন

সিলেটের পারফরম্যান্স ঢাকাতেও বয়ে আনলেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। ওয়ানডে সিরিজ যেখানে শেষ হয়েছিল; টি-টোয়েন্টিতে সেখান থেকেই শুরু করলেন তারা। আজ যথারীতি রানের স্রোত বইয়ে দিলেন দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও লিটন দাস। তাতেই জিম্বাবুয়ের কাঁধে রানের পাহাড় চাপিয়ে দিল টাইগাররা।

tamim and liton 2020

টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ‍কুড়ি ওভার শেষে তিন উইকেটে ২০০ রান করেছে বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টিতে এনিয়ে তৃতীয়বার দুশোর গণ্ডি ছুঁল টাইগাররা। মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে টপ অর্ডারের দারুণ ব্যাটিং দৃঢ়তায় এই সংগ্রহ পেয়েছে স্বাগতিক শিবির।

বড় স্কোরের ভিতটা গড়ে দিয়েছেন দুই ওপেনার। তামিম ও লিটন শুরুর দশ ওভারে বিনা উইকেটে ছাড়ান ৯০ রান। শেষ অবধি উদ্বোধনী জুটি ভেঙেছে ৯২ রানে। টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের শুরুর সর্বোচ্চ জুটি এখন এটাই। তামিম-লিটন ভেঙেছেন নিজেদেরই পুরনো রেকর্ড।

হাফসেঞ্চুরির পথে ছিলেন দুজনই। কিন্তু তামিম আউট হয়ে যান ৩৩ বলে ৪১ রান করে। ইনিংসে তিনটি চারের সঙ্গে মেরেছেন দুটি ছক্কা। পাঁচটি চার ও তিন ছক্কা ছিল লিটনের ইনিংসে। ৩৯ বলে ৫৯ রানে আউট হন ডানহাতি বিধ্বংসী ওপেনার।

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এটা লিটনের তৃতীয় হাফসেঞ্চুরি। পরে তাকে ছাড়িয়ে গেছেন সৌম্য সরকার। শেষ ওভারে ক্রিস এম্পুফুর তিনটি ছক্কা মেরেছেন তিনি। সবমিলিয়ে ক্যারিয়ার সেরা ইনিংসে তার ছক্কা পাঁচটি। ইনিংসে বাংলাদেশের ছক্কা ১২টি। ৩২ বলে ৬২ রানের বিস্ফোরক ইনিংসে অপরাজিত থাকেন সৌম্য।

টি-টোয়েন্টিতে এনিয়ে দ্বিতীয় হাফসেঞ্চুরি হলো তার। সৌম্যর আগের সর্বোচ্চ ছিল ৫১ রান। তার সঙ্গী মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ নয় বলে ১৪ রানে অজেয় থাকেন। মুশফিকুর রহিম আট বলে দুই ছক্কায় ১৭ রান করেছেন। ব্যাটসম্যানরা তাদের কাজটা করে দিয়েছেন। এবার টাইগারদের জেতানোর দায়িত্ব বোলারদের।

sheikh mujib 2020