advertisement
আপনি দেখছেন

প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে একই সাথে তিন ফরম্যাটেই সেরা অলরাউন্ডার হওয়ার গৌরব অর্জন করেন সাকিব আল হাসান। ব্যাট-বল হাতে প্রতিনিয়তই ছাড়িয়ে যাচ্ছেন নিজেকে। গড়ছেন নতুন-নতুন রেকর্ড। তাই বিভিন্ন সময় সাবেক ক্রিকেটার এবং ক্রিকেট বিশ্লেষকদের করা একাদশে সহজেই জায়গা পেয়ে যান বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার।

bangladesh team shakib mustafiz

এবার তো শতাব্দী সেরা ক্রিকেটারদের তালিকায় জায়গা পেলেন মাগুরার এই ক্রিকেটার। এর মধ্যে টেস্টে ষষ্ঠ আর ওয়ানডেতে দ্বিতীয় হয়েছেন তিনি। তবে টি-টোয়েন্টির সেরা বিশেও নেই সাকিব।

ক্রিকাজের সাথে করা গবেষণায় শতাব্দীর সেরা খেলোয়াড়দের বেঁছে নেয় উইজডেন ক্রিকেট মান্থলি। এজন্য ম্যাচে খেলোয়াড়দের প্রভাব বিবেচনা করা হয়েছে। একটা ম্যাচে কে কতটা অবদান রাখলেন কিংবা কতটা খারাপ করলেন। মূলত প্রভাব বিস্তারকারী খেলোয়াড়রাই স্থান পেয়েছেন উইজডেনের এই তালিকায়।

টেস্টে মুরালিধরন আছেন সবার উপরে। সাবেক এই লংকান স্পিনারের সংগ্রহ ৯৭.৫ পয়েন্ট। এর পরের স্থানগুলোতে আছেন যথাক্রমে রবীন্দ্র জাদেজা ৯৭.৩, স্টিভেন স্মিথ ৯১.৭, গ্লেন ম্যাকগ্রা ৮৯.৬, শন পোলক ৮৪.৯, সাকিব আল হাসান ৮৪.২।

ওয়ানডের শীর্ষস্থানটা দখলে নিয়েছেন অ্যান্ড্রু ফ্লিনটফ। সাবেক অলরাউন্ডারের সংগ্রহ ২১.৩ পয়েন্ট। দ্বিতীয় স্থানে থাকা সাকিবের সংগ্রহ ২০.৮ পয়েন্ট। সেরা পাঁচের পরের ক্রিকেটাররা হলেন গ্লেন ম্যাকগ্রা ২০.৬, এবি ডি ভিলিয়ার্স ২০.৪ এবং কেন উইলিয়ামসন ১৯.১।

২০০৬ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় সাকিবের। এরপর খেলেন ৫৬ টেস্ট, ২০৬ ওয়ানডে এবং ৭৬ টি-টোয়েন্টি। সাদা পোশাকে ৩৮৬২ রানের পাশাপাশি নেন ২১০ উইকেট। একদিনের ক্রিকেটে তার সংগ্রহ ৬৩২৩ রান এবং ২৬০ উইকেট। আর ছোট ফরম্যাটের ক্রিকেটে সাকিবের সংগ্রহ ১৫৬৭ রান এবং ৯২ উইকেট।

sheikh mujib 2020