advertisement
আপনি দেখছেন

ঢাকায় গত সোমবার তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচ হারার মধ্য দিয়ে পাকিস্তানের কাছে হোয়াইটওয়াশ হয় মাহমুদউল্লাহর নেতৃত্বাধীন টাইগার বাহিনী। সিরিজের শেষ ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে এসে জয়ের সম্ভাবনা তৈরি করেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু ডেড বলের এক কাহিনীতে জয়বঞ্চিত হয় বাংলাদেশ। তবে সেই পরিস্থিতিতে মাহমুদুল্লাহর স্পোর্টসম্যানশিপ সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে।

mohammad nawazমোহাম্মদ নওয়াজ এবং আলোচিত সেই ডেড বল

লো-স্কোরিং ম্যাচে রান চেজ করতে নামা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একেবারে শেষ ওভারে বল করতে আসেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। শেষ ছয় বলে তখন প্রয়োজন ছিল আট রানের। ওভারটি শুরু করেছিলেন ডট বল দিয়ে। এরপর টানা দুটি উইকেট নিয়ে খেলায় উত্তেজনা ফিরিয়ে আনেন। চতুর্থবলে ব্যাটার ইফতিখার ছক্কা মেরে বসেন। ফলে সমীকরণ তখন দাঁড়ায় দুই বলে দুই রান। পঞ্চম বলে আবারও আঘাত হানেন মাহমুদউল্লাহ। একই ওভারে তৃতীয় উইকেট লাভ করেন তিনি।

স্ট্রাইকে থাকা মোহাম্মদ নওয়াজকে শেষ বলটি করতে যান মাহমুদউল্লাহ। বল ক্রিজের অর্ধেকের বেশি চলে যাওয়ার পর নওয়াজ নিজেকে বল মোকাবেলা থেকে প্রত্যাহার করে নেন। বলটি স্টাম্পে লেগেছিল। আম্পায়ার ডেলিভারিটিকে ডেড ঘোষণা করেন। আবারো শেষ বল করতে গেলে নওয়াজ তাতে বাউন্ডারি হাঁকান। ফলে বাংলাদেশ ম্যাচটি হেরে যায়।

mahmudullah 4সময়টা ভালো যাচ্ছে না মাহমুদউল্লাহর

আম্পায়ারকে সিদ্ধান্ত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন মাহমুদউল্লাহ এবং কোনো আপত্তি ছাড়াই এটিকে সম্মান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আমি শুধু আম্পায়ারকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, এটি বল হয়েছে কি-না, কারণ ব্যাটার অনেক দেরিতে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন। আম্পায়ারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত এবং আমরা আম্পায়ারদের সম্মান করি। এটা একটু হৃদয়বিদারক। কাছাকাছি গিয়েও জয়টা পেলাম না।

এমন পরিস্থিতিতে একজন অধিনায়ক কিছুটা ক্ষিপ্ত হতেই পারতেন। কিন্তু মাহমুদউল্লাহ এক্ষেত্রে সংযত আচরণ করেন। তার এই স্পোর্টসম্যানশিপ অনেকেরই প্রশংসা কুড়িয়েছে।

তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টির পর দুই দল এখন দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে মুখোমুখি হবে। আগামী ২৬ নভেম্বর চট্টগ্রামে দুই দল প্রথম টেস্টে মুখোমুখি হবে।