advertisement
আপনি দেখছেন

সব আনুষ্ঠানিকতাই কার্যত গত জুলাইয়ে জিম্বাবুয়ের মাটিতে সম্পন্ন করেছিলেন। সতীর্থদেরও বলে দিয়েছিলেন। সতীর্থরা তাকে বিদায়ী সম্মানও জানিয়েছেন। কিন্তু হুট করে তার অবসরের সিদ্ধান্তে নাখোশ ছিল বিসিবি। তাই মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের টেস্ট অবসরটা ‘ওপেন সিক্রেট’ হয়েই ছিল বাংলাদেশের ক্রিকেটে।

mahmudullah formally ends test carrierমাহমুদউল্লাহর টেস্ট অবসরের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা, ফাইল ছবি

অবশেষে বরফ গলে গেছে। বিসিবি সভাপতির নাজমুল হাসান পাপনের রাগও হয়তো কমেছে। আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পেল মাহমুদউল্লাহর টেস্ট অবসর। শেষ ম্যাচ খেলার ৪ মাস পর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিলেন ৩৫ বছর বয়সী এ ক্রিকেটার। আজ বিসিবির পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মাহমুদউল্লাহ টেস্ট ক্রিকেটকে বিদায় বলে দিলেন।

সাদা পোশাকের ক্রিকেটে আর দেখা যাবে না তাকে। জুলাইয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শেষ ম্যাচ খেলেছেন তিনি। সেটি ছিল তার ক্যারিয়ারের ৫০তম ম্যাচ। অপরাজিত ১৫০ রানের ইনিংস দিয়েই ইতি টানলেন টেস্ট ক্যারিয়ারের। এর আগে প্রায় এক বছর বাজে ফর্মের কারণে টেস্ট দলের বাইরে ছিলেন মাহমুদউল্লাহ।

সাদা পোশাকে তার ১২ বছরের ক্যারিয়ার। ৫ সেঞ্চুরিতে ২ হাজার ৯১৪ রান করেছেন, নিয়েছেন ৪৩ উইকেট। ছয়টি টেস্টে বাংলাদেশের নেতৃত্ব দিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ।

আজ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছেন, টেস্ট থেকে সরে গেলেও ওয়ানডে, টি-২০-তে খেলা চালিয়ে যাবেন তিনি। টেস্ট দলে ফেরার পেছনে ভূমিকা রাখায় বিসিবি সভাপতিকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ।