advertisement
আপনি পড়ছেন

বোলিংয়ে রাঙা সকাল, দুরন্ত দুপুর এনে দিয়েছেন তাইজুল ইসলাম। পড়ন্ত বিকেলে সূর্য ডোবার আগে সেই অর্জনকে মলিন করে দিলেন ব্যাটসম্যানরা। যেন ম্যাচে বাংলাদেশের সূর্যাস্তই ডেকে এনেছেন টপঅর্ডারের চার ব্যাটসম্যান। ২৫ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ। দিন শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৩৯ রান। লিড ৮৩ রান হলেও ম্যাচে স্বাগতিকদের অবস্থা সুবিধার নয়।

tijul islam bd cricketerতাইজুল ইসলাম, ফাইল ছবি

নিজের হাতে গড়া অবস্থানটার সমাধি হতে দেখেছেন তাইজুল। কিন্তু দিন শেষে অবশ্য সতীর্থদের ব্যর্থতায় হতাশ নন এ বাঁহাতি স্পিনার। তার আশা, আগামীকাল ব্যাট হাতে ঘুরে দাঁড়াবে বাংলাদেশ। এদিন সংবাদ সম্মেলনে সাদমান-মুমিনুলদের ব্যর্থতা সম্পর্কে তাইজুল বলেছেন, ‘জিনিসটা হতাশাজনক হিসেবে নিলে হবে না। আমিও হতাশা হিসেবে নিচ্ছি না। ক্রিকেট খেলাটাই এমন। কেউ তো আর ইচ্ছা করে আউট হতে চায় না। প্রথম ইনিংসেও চারটি উইকেট তাড়াতাড়ি পড়ে যায়। তারপরও কামব্যাক করেছি। এবারও কামব্যাক করার আশাই রাখছি।’

বরাবরই টেলএন্ডাররা রান করেন বাংলাদেশের বিপক্ষে। বহু ম্যাচে টাইগারদের ভুগিয়েছে টেলএন্ডারদের ইনিংস। এমনকি টেলএন্ডার জেসন গিলেস্পির তো ডাবল সেঞ্চুরিই আছে বাংলাদেশের মাটিতে। আজ শেষ উইকেট জুটিতেও শাহীন আফ্রিদিকে নিয়ে ২৯ রানের জুটি গড়েছেন ফাহিম আশরাফ। তাতে লিড কমেছে বাংলাদেশের।

taijul celebration৭ উইকেট নিয়ে তাইজুলের উদযাপন

টেলএন্ডারদের দ্রুত আউট করতে না পারাটা মানসিক বাধা হয়ে গেছে এমন মনে করেন না তাইজুল। রোববার দিন শেষে এ বাঁহাতি স্পিনার বলেছেন, ‘এটা মানসিক কোনো বাধা না। অনেক ম্যাচে হয়েছে, এটা সত্যি। এটা হতে পারে, অনেক সময় হয়। ঐ সময় খেলাটা অন্যরকম হয়। টেলএন্ডাররা স্পেশালিস্ট ব্যাটারদের মতো খেলে না। আর টেস্টে ফিল্ডিং সেটআপ অন্যরকম থাকে। এ কারণে আসলে এমন হয়। এটা অন্যরকম এক বিষয়। অনেক বড় দলেরও এমন হয়ে থাকে।’