advertisement
আপনি পড়ছেন

ম্যাচের প্রথম দিনে শীতার্দ্র সকালটা পেস বোলিং সহায়ক। কিন্তু এবাদত হোসেন, খালেদ আহমেদের পেস বোলিং জুটি ব্যর্থ উইকেট এনে দিতে। এবাদতের চেষ্টাকে ম্লান করে দেয় খালেদের লাগামহীন বোলিং। রোববার দ্বিতীয় দিনের ৬.২ ওভারের খেলায়ও ব্যর্থ এবাদত-খালেদ। দিনের প্রথম বলটাই খালেদ লেগ স্ট্যাম্পের বাইরে করেন। বাবর আজম তা অনায়সেই সীমানা ছাড়া করেন।

ebadat hossain khaled ahmedএবাদত হোসেন ও খালেদ আহমেদ

বৃষ্টিস্নাত কন্ডিশনেও পেসাররা হতাশা উপহার দিয়েছেন দলকে। খালেদ ৭.২ ওভারে ২৬ রান দিয়েছেন, এবাদত ১২ ওভারে ৪৮ রান দেন। রোববার দিনের খেলা পরিত্যক্ত হওয়ার পর সংবাদ সম্মেলনে ফিল্ডিং কোচ মিজানুর রহমান বাবুলও বলেছেন, পেসাররা হতাশ করেছে। মূল্যায়ন করতে গিয়ে এবাদতদের ১০ এ ৫-৬ নম্বর দেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে পেসারদের নম্বর দেয়ার কথা বললে বাবুল বলেছেন, ‘আমাদের স্পিনাররা পেসারদের চেয়ে এগিয়ে থাকে উইকেটের জন্য, কন্ডিশনের জন্য। অন্যান্য দেশের সাথে যদি আমাদের পেসারদের তুলনা করেন তাহলে ১০ এর মধ্যে হয়তো ৫-৬ দিব।’

ebadat hossain khaled ahmed 1টেস্ট খেলা

টেস্টে ব্যাটিংয়ের মতো বোলিংয়েও ধৈর্য্য নিয়ে বোলিং করতে হয়। বাংলাদেশের পেসাররা পারছেন না তা করতে। বাবুল বলেন, ‘টেস্ট ম্যাচ ধৈর্যের খেলা ব্যাটিংয়ের মতো বোলিংয়েও ধৈর্য্য থাকতে হয়। যখন ছেলেরা উইকেট না পায় তখন যদি এটা নাড়াচাড়া করে, তবে যাদের অন্য অ্যাবিলিটি আছে তারা হয়তো কিছু করতে পারে।’

তবে আসন্ন নিউজিল্যান্ড সফরে তাসকিন আহমেদ, শরীফুল ইসলামদের নিয়ে পেস বোলিংয়ে ভালো কিছু আশা করছেন বাবুল। বাংলাদেশের ফিল্ডিং কোচ বলেছেন, ‘আমরা সবাই জানি যে, নিউজিল্যান্ডে পেস বান্ধব উইকেট থাকে। আর আমাদের সাথে সেরা পেস বোলিং ইউনিটটাই যাচ্ছে। তারা এখন নিয়মিত পারফর্ম করছে, জোরে বল করতে পারে।

তিনি বলেন, তাসকিন যাচ্ছে, এবাদত, শহিদুল, শরিফুল আছে। তো আমাদের সেরা বোলিং ইউনিট নিয়ে যাচ্ছি। ভাল এরিয়ায় যদি ছেলেরা বল করতে পারে, ওখানে আমাদের প্রস্তুতি ম্যাচ আছে। ওখানে যদি আমরা ভাল শুরু করি, আমার মনে হয়, নিউজিল্যান্ড সফর ভাল হবে যদিও পরিসংখ্যান অন্য কথা বলে।’