advertisement
আপনি পড়ছেন

হাফ সেঞ্চুরি দিয়ে বিপিএল শুরু করেছেন তামিম ইকবাল। যদিও তার ৪২ বলের ৫০ রানের ইনিংসটা মিনিস্টার গ্রুপ ঢাকাকে কতটা সাহায্য করেছে তা নিয়ে বিতর্ক থেকেই যাবে। ম্যাচের আবহ, উইকেট বলছিল ২০০ রান হওয়া উচিত ছিল। সেখানে শাহজাদের ২৭ বলে ৪২ রানের ইনিংসের পর ওপেনার তামিমের ইনিংসটা ঢাকার স্কোরকে কিছুটা পেছনে টেনে ধরেছে কি না- সেই প্রশ্ন উঠতেই পারে।

roni talukder bplমুশফিকের পরামর্শেই সফল রনি

মাহমুদউল্লাহ রান পেয়েছেন, টি-২০ তে ফিরে বোলিংয়ে বেদম প্রহার খেয়েছেন রুবেল হোসেন। এক ওভারেই ফ্লেচারের আগুনে ব্যাটিংয়ে ২২ রান দিয়েছেন। ঢাকার ১৮৩ রান টপকে গেছে খুলনা ১ ওভার হাতে রেখেই।

এমন রানের ম্যাচে আলোটা কেড়ে নিয়েছেন রনি তালুকদার। ডানহাতি এ ওপেনারের হাফ সেঞ্চুরিতে শুক্রবার দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে খুলনা টাইগার্স ৫ উইকেটে হারিয়েছে ঢাকাকে। ৪২ বলে ৬১ রানের ইনিংস খেলেছেন রনি। যেখানে ছিল ৭টি চার ও ১টি ছয়। ওয়ান ডাউনে নেমে ফ্লেচারের সঙ্গে ৭২ রানের জুটি গড়েছেন। উইকেটে ছিলেন ১৫তম ওভার অব্দি। ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কারটাও পেয়েছেন রনি।

অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমের কথা শুনেই ২২ গজে পাল্টা আক্রমণ করেছেন রনি। বিপিএলের প্রথম ম্যাচেই পেয়ে গেলেন রানের দেখা। ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণীতে ব্যাটিং পরিকল্পনা নিয়ে রনি বলেছেন, ‘আমাদের ব্যাটিংয়ের পরিকল্পনা খুব সাধারণ ছিল। মুশফিক ভাই আমাদের যে পরিকল্পনা দিয়েছিল, উইকেটে বল আসছে, শিশির আছে। উইকেটে কিভাবে খেলতে হবে মুশফিক ভাই বলে দেওয়াতে কাজটা সহজ করে দিয়েছে। বলেছিলেন, তুই যাবি আর মেরিট অনুযায়ী খেলবি। হয়ে যাবে। আমি সেটাই করেছি। বলের মেরিট অনুযায়ী খেলার।’

বিপিএলের শুরুতেই রান পেলেও ইনিংসটা বড় করতে না পারা, ম্যাচ শেষ করে আসতে না পারার আক্ষেপ আছে রনির। ডানহাতি এ ব্যাটসম্যান বলেছেন, ‘প্রথম ম্যাচে রান করাটা অবশ্যই একজন ব্যাটসম্যানের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয়। তবে আমার উচিত ছিল ম্যাচটা শেষ করে আসা। তাহলে আমার জন্য এবং দলের জন্য ভালো হতো। আমি চেষ্টা করেছি এমন কিছু করা যেন, আমার রান এবং দলের রান ধারাবাহিকভাবে আসতে থাকে। ৮০-৮৫ রান যদি করতে পারতাম, তাহলে আমরা সহজেই জিতে আসতে পারতাম।’