advertisement
আপনি পড়ছেন

সেঞ্চুরি পূর্ণ হতেই মুষ্ঠিবদ্ধ ছুঁড়ে দিলেন শূন্যে। উদযাপনে অতিরিক্ত কিছু ছিল না। তবে সেঞ্চুরিয়ান তামিম ইকবালের সাদামাটা উদযাপনই অনেক কিছু বুঝিয়ে দিয়েছিল। সমালোচনার তোড়ে জর্জর গত কিছুদিনের ঘুমোট পরিবেশটাকে যেন ব্যাট নামক তরবারিতে কচুকাটা করেছেন তিনি।

tamim iqbal bd cricketer bplতামিম বললেন, শুধু মেরে খেললেই টি-টোয়েন্টি হয় না

শুক্রবার সাগরিকার রান সহায়ক উইকেটের পূর্ণ ব্যবহার করেছেন ঘরের ছেলে তামিম। সিলেটের ১৭৫ রানের বিশাল স্কোর তাড়া করেছে ঢাকা তার আনন্দদায়ী ইনিংসে। অপরাজিত ১১১ রানের ইনিংস খেলে দলকে এনে দিয়েছেন ৯ উইকেটের বড় জয়।

ম্যাচ শেষে বাঁহাতি এ ওপেনার বলেছেন, শুধু মেরে খেলাই টি-টোয়েন্টির ব্যাটিংয়ের পরিভাষা নয়। ভালো শট খেলেও সাফল্য আসতে পারে। যদিও শুক্রবার ইনিংস জুড়েই তামিম আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেছেন, ৬৪ বলের ইনিংসে ১৭টি চার ও ৪টি ছক্কা মেরেছেন। সিলেটের বোলারদের নাকের, চোখের জল এক করে দিয়েছেন।

ম্যাচের পর বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক এমন ব্যাটিংয়ের রহস্য নিয়ে বলেছেন, ‘কঠোর পরিশ্রম করতে হবে আর স্কিল নিয়ে কাজ করতে হবে। ক্রিকেট এমন এক খেলা, যেখানে আপনি দুর্বলতা নিয়ে কাজ করতে থাকলে উন্নতি হবেই। ক্রিকেটীয় শট খেলতে হবে। শুধু মেরে খেললেই টি-টোয়েন্টি হয় না। ভালো শটও সাফল্য এনে দিতে পারে।’

রান তাড়া করতে নেমে ঢাকাকে চাপে পড়তে দেননি তামিম। একপ্রান্ত আগলে খেলে গেছেন। সাগরিকায় লেন্ডল সিমন্সের সেঞ্চুরির পরও সিলেটের রানটা কম হয়েছে মনে করেন তামিম। রান তাড়ার মিশন নিয়ে তিনি বলেন, ‘২ বা ৫ ওভারে তো ১৭৬ রান তাড়া করতে পারবেন না। আপনাকে সেই রান অনুযায়ী খেলে যেতে হবে। সিমন্স ১১৬ করার পরও তারা ১৭৫ করতে পেরেছে, আমি এতে খুশি ছিলাম। আমাদের শেষ ওভারে ওরা মাত্র ৮ রান নিতে পেরেছে। ২২০ রানও যদি হত, উইকেট যথেষ্ট ভালো ছিল।’

ভালো একটা শুরুর আশায় ছিলেন তামিম। সিলেট করেছিল ১৭৫ রান। ১৭৬ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে ওপেনিংয়ে শাহজাদ-তামিম রেকর্ড ১৭৩ রানের জুটি গড়েন। তাতেই ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে সিলেট।

তামিম বলেছেন, ‘জানতাম, ভালো শুরু পেলে আমাদের ভালো করেই সুযোগ আছে। আমি ও শাহজাদ ভালো শুরু পেয়েও যাই। এরপর আর পেছনে থাকাতে হয়নি।’