advertisement
আপনি পড়ছেন

কয়েকদিন আগেই শেষ হয়েছে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ। সাদা পোশাকের পর এবার রঙিন পোশাক গায়ে দেবার পালা। টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে গতকাল সেন্ট লুসিয়া থেকে ডমিনিকার পথ ধরে টিম বাংলাদেশ। যাত্রাপথে ভয়ংকর এক অভিজ্ঞতার সাক্ষী হয়েছে টাইগাররা, যেটা বিভীষিকাময় এক অধ্যায় হয়ে থাকবে সারাজীবন।

bd team in wiসবার চোখে-মুখে আতঙ্কের ছাপ

গতকাল স্থানীয় সময় সকাল ৭টায় সেন্ট লুসিয়ার ক্যাস্ট্রিস ফেরি টার্মিনালে হাজির হয় বাংলাদেশ দল। উদ্দেশ্য ফেরিতে করে আটলান্টিক পাড়ি দিয়ে ডমিনিকা যাওয়া। এর আগে এমন অভিজ্ঞতা না থাকায় শুরুতে কিছুটা রোমাঞ্চিত ছিল ক্রিকেটাররা। কিন্তু পার্লে এক্সপ্রেসের ফেরিতে ওঠার কিছুক্ষণের মধ্যেই সব রোমাঞ্চ উবে যায়।

ফেরি আধঘণ্টা চলার পরেই পাগলাটে আটলান্টিকের আসল দৃশ্যপট সামনে হাজির হয়। ৭-১০ ফুট উচ্চতার ঢেউ দেখে ভীত হয়ে পড়েন ক্রিকেটাররা। কয়েকজনের অবস্থা বেশ খারাপ ছিল। বমি করতে দেখা গেছে দুই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান কাজী নুরুল হাসান সোহান ও মুনিম শাহরিয়ার এবং বাঁহাতি পেসার শরীফুল ইসলামকে।

bd team in wi 2শুরুতে ছবি তোলায় ব্যস্ত ছিলেন সবাই

পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নিতে পেরে ফেরির ফ্লোরে শুয়ে পড়েন বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদ। বাকিদের চোখেমুখেও ছিল আতঙ্কের ছাপ। এভাবে দুই ঘণ্টা চলার পর মার্টিনেক নামের এক দ্বীপে যাত্রাবিরতি দেওয়া হয়। সেখান থেকে ক্রিকেটার বাকি পথটুকু বিমানে যাওয়ার আবদার জানান।

এ সময় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড, বিসিবির প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন টি-টোয়েন্টি দলপতি মাহমুদ উল্লাহ রিয়াদ। তবে কিছুই করার ছিল না। অল্প সময়ের মধ্যে এতগুলো মানুষের জন্য বিমানের টিকিট ব্যবস্থা করা সম্ভব নয়। তাই বাধ্য হয়ে দ্বিতীয় দফায় ফেরিতে ওঠেন ক্রিকেটাররা। শেষ পর্যন্ত ৫ ঘণ্টার যাত্রা শেষে স্থানীয় সময় দুপুরে ডমিনিকা পৌঁছেন বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটারা।

তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে আগামীকাল ডমিনিকার উইন্ডসোর পার্কে স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের মোকাবেলা করবে বাংলাদেশ।