advertisement
আপনি পড়ছেন

চার ম্যাচে নিষিদ্ধ লিওনেল মেসি; এই এটুকু ব্যাপারই আর্জেন্টিনাকে দুর্বল করে দেয়ার জন্য যথেষ্ট ছিলো। এর মধ্যে কয়েকজন মূল খেলোয়াড়ের ইনজুরি। সব মিলিয়ে আর্জেন্টিনার অবস্থা ছিলো শোচনীয়। এই অবস্থায় বলিভিয়ার বিপক্ষে কিছুই করতে পারলো না তারা। হেরে গেলো ২-০ গোলের ব্যবধানে।

argentina lost to bolivia by 2 0 goals

লাইন্সম্যানের সঙ্গে অখেলোয়াড়সূলভ আচরণের জন্য আর্জেন্টিনার হয়ে পরবর্তী চারটা ম্যাচ খেলতে পারবেন না মেসি। যদিও ইংল্যান্ডভিত্তিক কয়েকটি সংবাদ মাধ্যম বলছে, মেসির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট লাইন্সম্যান বা রেফারি কেউ-ই কোনো অভিযোগ করেনি। ফিফা অনেকটা ‘স্বপ্রণোদিত’ হয়ে মেসিকে চার ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করেছে।

আর মূল একাদশের আরো ছয়জন ছিটকে গেছেন হলুদকার্ডজনিত সমস্যায়। ছিলো ইনজুরির আঘাতও। এই আর্জেন্টিনা বলিভিয়ার অনভ্যস্ত কন্ডিশনে কতোটা কী করবে, তা নিয়ে সংশয় ছিলো আগেই। ২-০ গোলে আর্জেন্টিনার পরাজয়টা তাই একেবারে অপ্রত্যাশিত নয়।

নানামাত্রিক বিপদে জর্জরিত আর্জেন্টিনাকে ম্যাচে প্রথম ২০ মিনিট দাঁড়াতেই দেয়নি বলিভিয়া। একের পর এক আক্রমণ করে আর্জেন্টাইনদের অবস্থা দুর্বিসহ করে তুলে তারা। ১৫ তম মিনিটে গোলের এক দারুণ সুযোগও পেয়ে যায় বলিভিয়া। কিন্তু আর্জেন্টাইন এক ডিফেন্ডার কোনো মতে তা ঠেকান।

মিনিট দুয়েক পর গোলকিপার সার্জিও রোমেরোর কল্যাণে আরো এক দফা বেঁচে যায় আর্জেন্টিনা। তবে তখনও ম্যাচের আধিপত্য বলিভিয়ার হাতেই।

ম্যাচের ২৭ মিনিটে গিয়ে দারুণ এক আক্রমণ শানায় আর্জেন্টিনা। কিন্তু এভার বেনেগার শট ঠেকিয়ে দেন বলিভিয়ার গোলরক্ষক। একটু পর অ্যাঙ্গেল ডি মারিয়ে একটা দারুণ এক প্রচেষ্টা দেখান। কিন্তু এবারও ব্যর্থ হয় আর্জেন্টিনা।

ম্যাচের ৩১ মিনিটে গিয়ে প্রথম গোল হজম করে আর্জেন্টিনা। এরপর দ্বিতীয়ার্ধে, ম্যাচের ৫১ মিনিটে আরো এক গোল জড়ায় আর্জেন্টিনার জালে। দুই গোলে পিছিয়ে পড়ার পর আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি মেসিবিহীন আর্জেন্টিনা। শেষমেষ ২-০ গোলের হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় তাদের।