advertisement
আপনি পড়ছেন

চার বছরের দীর্ঘ প্রতীক্ষা শেষে আবার লা লিগার শিরোপা ঘরে তুললো রিয়াল মাদ্রিদ। গতরাতে মালাগাকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে তারা। এই ম্যাচটা যদি রিয়াল হারতো, তবে টানা তৃতীয়বারের মতো শিরোপা উঠতে পারতো বার্সেলোনার ঘরে। গতকাল তারা হারিয়েছে এইবারকে। কিন্তু সেই জয় শিরোপা জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিলো না মেসি- নেইমার- সুয়ারেজদের। 

real madrid champions

সমীকরণ ছিল বার্সেলোনার শিরোপা ধরে রাখতে হলে নিজেদের তো জিততে হবেই, অপর ম্যাচে হারতে হবে রিয়াল মাদ্রিদকে। লিওনেল মেসির জোড়া গোলে এইবারকে ঘরের মাঠে ৪-২ গোলে হারিয়ে নিজেদের কাজটা ষোল আনাই করে রেখেছিল লুইস এনরিকের দল। কিন্তু অন্য সমীকরণটা মিললো না। মালাগার বিপক্ষে হারেনি রিয়াল।

ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ও করিম বেনজেমার গোলে মালাগাকে ২-০ গোলে হারিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। যাতে বার্সেলোনার চেয়ে তিন পয়েন্টে এগিয়ে থেকে লিগ শিরোপা নিশ্চিত হয়ে গেল রিয়াল মাদ্রিদের।

মালাগার বিপক্ষে হার এড়ালেই চলত রিয়ালের। হারলেই সর্বনাশ, সেটা যে হচ্ছে না গতকাল ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই তা বুঝিয়ে দিয়েছিলেন রোনালদো। বাংলাদেশ সময় ঠিক ১২টায় লিগে নিজেদের শেষ ম্যাচটি খেলতে নেমেছিল রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনা। ১২ টা ২ মিনিট থেকেই চার বছরের আফসোস কাটানোর উল্লাস করে গেছেন রিয়াল সমর্থকরা।

দারুণ এক গোল করে রিয়াল মাদ্রিদকে ১-০ গোলে এগিয়ে নেন রোনালদো। প্রথমার্ধে আর গোল হয়নি, তবে মালাগার খেলা দেখে মনে হয়নি যে ম্যাচটা হারতে পারে রিয়াল। সেটা পুরো নিশ্চিত করলেন করিম বেনজেমা ম্যাচের ৫৫ মিনিটে গিয়ে। দারুণ এক গোলে রিয়াল মাদ্রিদকে ২-০ গোলে এগিয়ে নেন ফরাসি স্ট্রাইকার। শেষ পর্যন্ত এই ব্যবধানের জয় নিয়েই লা লিগা শিরোপা উৎযাপন করেছে রিয়াল।

একই সময়ে মাঠে নামা বার্সেলোনার শিরোপা সম্ভাবনা টিকিয়ে রাখতে হলে জয়ের বিকল্প ছিল না। শেষ পর্যন্ত বার্সা জয় পেয়েছেও, কিন্তু শুরুতে মনে হচ্ছিল নিজেরাই হেরে বুঝি রিয়ালের পথ সুবিধা করে দিচ্ছে কাতালান ক্লাবটি! একটা সময় ২-০ ব্যাবধানে এগিয়ে ছিল এইবার।

ম্যাচের তখন ৬১ মিনিটের খেলা চলে। ৬৩ মিনিটেও এইবারের গোল, তবে সেটা অবশ্য যোগ হয়েছে বার্সেলোনার স্কোরে। আত্মঘাতী গোল করেন এইবারের জুনকা। এই গোলই হয়তো জাগিয়ে দিলো মেসি-সুয়ারেজদের। সুয়ারেজ ৭৩ মিনিটে গোল করে ব্যবধান ২-২ করেন।

এরপর ম্যাচের ৭৫ মিনিটে এবং যোগ করা সময়ে দুটি গোল করে বার্সেলোনাকে ৪-২ ব্যবধানের জয় এনে দেন মেসি। তবে এই জয় কাজে এলো না বার্সার। এবার তাদের সন্তুষ্ট থাকতে হলো রানার্সআপ হয়েই।