advertisement
আপনি পড়ছেন

হলুদ কার্ড দশটি, একটি লাল কার্ড। দশ হলুদ কার্ডের তিনটি দেখলেন মেসি-রোনালদো মিলে। ম্যাচজুড়ে ফাউলের ছড়াছড়ি। ‘এল ক্লাসিকো’র রোমাঞ্চটা আজ ষোল আনাই ছাড়ালো মাঠে। রোমাঞ্চকর ‘এল ক্লাসিকো’তে সুবিধা করতে পারেনি নেইমারহীন বার্সেলোনা। যদিও ম্যাচটা ছিল ঘরের মাঠে। সুপার কাপের প্রথম লেগটা আজ রিয়ালের বিপক্ষে ৩-১ গোলে হেরেছে বার্সেলোনা। এতে সুপার কাপের শিরোপায় এক হাত দিয়ে রাখল রিয়াল।

lionel messi vs real madrid july

এবারের মৌসুমে দুদলই প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমেছিল আজ। ম্যাচটা ন্যু ক্যাম্পে বলে সুবিধাজনক অবস্থানে ছিল বার্সেলোনা। কিন্তু চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের হারাতে পারেনি বার্সা। সর্বশেষ ‘এল ক্লাসিকো’তে রিয়ালের মাঠ থেকে জিতে ফিরেছিল বার্সেলোনা। আজ হয়তো তার একটা প্রতিশোধ নেওয়ার পন করেই ন্যু ক্যাম্পে এসেছিল জিদানের দল!

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমনাত্মক ফুটবল খেলেছে রিয়াল। প্রাক মৌসুম প্রস্তুতির দুঃস্মৃতি ভুলে মাঠে দেখা গেছে গত মৌসুমের দাপুটে রিয়ালকে। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো শুরুর একাদশে ছিলেন না। তবে ম্যাচের ৫৯ মিনিটে বদলি হিসেবে নেমে ম্যাচের গতিপথ পাল্টে দিয়েছেন ওই রোনালদোই।

‘এল ক্লাসিকো’র জমজমাট লড়াইয়ের প্রথমার্ধে গোল হয়নি। বিষয়টা হয়তো পছন্দ হচ্ছিল না জেরার্ড পিকের! ৫০ মিনিটে গিয়ে নিজেদের জালেই বল জড়িয়ে দিয়ে গোল খরা কাটিয়েছেন বার্সার ডিফেন্ডার, ১-০ তে পিছিয়ে পড়ে বার্সেলোনা। ৭৭ মিনিটে পেনাল্টি গোলে বার্সেলোনাকে সমতায় ফেরান মেসি।

তবে সেটা বেশিক্ষণ ধরে রাখতে দেননি রোনালদো। ৮০ মিনিটে দুর্দান্ত এক গোল করে রিয়াল মাদ্রিদকে ২-১ গোলে এগিয়ে নিয়ে ম্যাচের গতিপথ পাল্টে দেন। তবে এই গোলের উদযাপন করতে গিয়ে জার্সি খুলে ফেলাতে হলুদ কার্ড দেখতে হয় পর্তুগাল তারকাকে। দুই মিনিট পর যেটা বড় দুঃসংবাদ বয়ে আনে রোনালদোর জন্য।

ডি-বক্সে ডাইভ দেওয়ার অভিযোগে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে (দুই হলুদ কার্ডে লাল কার্ড) মাঠ ছাড়তে হয় রিয়ালের প্রাণভোমরাকে। তবে এতে অবশ্য জয় নিয়ে ফিরতে বেগ পেতে হয়নি রিয়ালকে। নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে রিয়ালকে আরো একটি গোল এনে দেন মার্কো আসেনিসিও। যাতে ৩-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে রিয়াল।

বার্সা নেইমারের জায়গায় জেরার্ড দেউলোফুকে খেলিয়েছে। আগের ম্যাচে অবশ্য বেশ ভালোই খেলেছিলেন স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড। কিন্তু রিয়ালের বিপক্ষে খোলস ছেড়ে বেরুতেই পারেননি। অন্যদিকে ‘এল ক্লাসিকো’তে নেইমার বরাবরই দুর্দান্ত ছিলেন। ফলে তার শূন্যতাই হয়তো আজ বেশি ভোগালো বার্সেলোনাকে।