advertisement
আপনি পড়ছেন

তিনদিন আগে ঘরের মাঠেই উড়ন্ত রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে দাঁড়াতে পারেনি বার্সেলোনা। সেই দলটা রিয়ালের মাঠে এসে ঘুরে দাঁড়াবে সেই স্বপ্ন দেখা বাড়াবাড়িই ছিল। তবে লিওনেল মেসি নামের একজন বার্সায় খেলেন বলে বাড়াবাড়িটা হয়তো করছিলেন অনেকেই। তাদের বাস্তবতায় ফিরিয়ে আনল কাল জিদানের রিয়াল। ঘরের মাঠে কাল বার্সেলোনাকে ২-০ গোলে হারিয়েছে তারা। অর্থাৎ দুই লেগ মিলিয়ে ৫-১ গোলের ব্যবধানে সুপার কাপের শিরোপা জিতে নিল রিয়াল মাদ্রিদ।

super cup win real madrid

বার্সেলোনার মিডফিল্ড অনেকদিন ধরেই অগোছালো। নেইমার চলে যাওয়াতে আক্রমণ ভাগেও আগের ধার নেই। মেসি-সুয়ারেজ দারুণ খেলছেন, কিন্তু নেইমার চলে যাওয়ার পর আক্রমণভাগের বাঁ-পাশ অনেকটা ফাঁকা হয়ে পড়েছে। বলের জোগান পাচ্ছেন না সুয়ারেজ-মেসি।

অপর দিকে রিয়াল মাদ্রিদ গত মৌসুমের মতোই অপ্রতিরোধ্য। অনেক চেষ্টা করেও লাল কার্ডের নিষেধাজ্ঞা পাওয়া রোনালদোকে মাঠে নামাতে পারেননি জিদান। নিয়মিত একাদশের গ্যারেথ বেল, কাসেমিরো, ইসকোকেও কাল পাননি জিদান। কিন্তু সেরা একাদশের চারজনকে ছাড়াও কাল কী খেলাটাই না দেখালো রিয়াল। বার্সেলোনাকে তেমন পাত্তাই দেয়নি তারা।

ম্যাচের চতুর্থ মিনিটেই রিয়াল মাদ্রিদকে এগিয়ে নেন মার্কো এসেনসিও। প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে অচমকা অসাধারণ এক শটে ১-০ তে এগিয়ে নেন রিয়াল মাদ্রিদকে। দুই লেগ মিলিয়ে বার্সেলোনা তখন ৪-১ গোলে পিছিয়ে। এরপর ঘুরে দাঁড়িয়ে শিরোপা জিতলে সেটাকে রূপকথাই বলতে হতো। ৩৯ মিনিটে গিয়ে বার্সেলোনার রূপকথা রচনার স্বপ্নটাও মিলিয়ে দেন করিম বেনজেমা। মার্সেলোর পাস থেকে দারুণ এক গোল করে বেনজেমা।

পরে আর গোল হয়নি। তবে মার্সেলো-লাকুস ভাসকেজরা সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারলে রিয়াল গোল পেতে পারতো আরো অন্তত তিনটি। বার্সেলোনা যে একেবারে চুপসে ছিল তেমনটা অবশ্য নয়। লিওনেল মেসি আর লুইস সুয়ারেজের দুটি দারুণ প্রচেষ্টা বারে লেগে প্রতিহত হয়েছে। যাতে শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলে হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে বার্সেলোনাকে।