advertisement
আপনি পড়ছেন

২০১২ সালের চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালের ঘটনা। চেলসির বিপক্ষে প্রথম লেগের ম্যাচে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে ছিল বার্সেলোনা। তবে দ্বিতীয় লেগের ম্যাচে মনে হচ্ছিল না যে সেটা সমস্যা হয়ে দাঁড়াবে কাতালান ক্লাবটির সামনে। বার্সেলোনা দুর্দান্ত ফুটবল খেলছিল। ম্যাচের একটা সময় ২-০ গোলে এগিয়েও ছিল বার্সা। কিন্তু পরপর দুই গোল করে ২-২ নিয়ে আসে চেলসি।

messi penalty miss vs chelsea1

সেটাও যন্ত্রণার কারণ হতে পারত না কাতালান ক্লাবটির জন্য। কারণ ম্যাচের অন্তিম মুহূর্তে পেনাল্টি পেয়ে যায় বার্সেলোনা। কিন্তু পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন লিওনেল মেসি! চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়েছিল স্পেনের অন্যতম সফল ক্লাবটির। বার্সার অনেক সমর্থকের চোখ দিয়েই হয়তো জল গড়ে পড়েছিল সেদিন! শুধু সমর্থকরাই নন সেদিন কেঁদেছিলেন মেসিও।

ড্রেসিংরুমে ঢুকে হু হু করে কেঁদেছিলেন আর্জেন্টিনার মহাতারকা। অ্যালেক্সিজ সানচেজও সেদিন ছিলেন বার্সেলোনার ড্রেসিংরুমে। নিজ চোখেই দেখেছেন মেসির কান্না। স্মৃতির পাতা উল্টে চিলিয়ান ফুটবলার জানালেন সেদিনের ঘটনা, ‘খেলায় হেরে গেলে ফুটবলাররাও কাঁদে। এটাই ফুটবলের অংশ। আমি ড্রেসিংরুমে দেখেছি মেসিকে কাঁদতে।’

মেসির কান্নার প্রসঙ্গ অবশ্য এমনিতেই টানেননি সানচেজ। রেকর্ড বেতনে আর্সেনাল ছেড়ে কদিন আগে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে যোগ দিয়েছেন চিলিয়ান তারকা। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে সর্বোচ্চ বেতনধারী ফুটবলার এখন সানচেজ। সমালোচনা শুরু হয়ে গেছে এতেই। সানচেজ অতো বেতন পাওয়ার মতো ফুটবলার না, তার পেছনে অযথাই অর্থ ঢেলেছে ম্যানইউ আরও কত কথা।

এসব প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়েই মেসির কান্নার প্রসঙ্গ টেনে আনা চিলিয়ান তারকার। বার্সেলোনার সাবেক ফুটবলার বুঝাতে চাইলেন, মানুষ শুধু ফুটবলারদের অর্থ প্রাপ্তি, আলিশান জীবন-যাপন, ব্যাংক-ব্যালেন্সই দেখে। কিন্তু তার পেছনে যে কতোটা কষ্ট আর ত্যাগ সেসব খেয়াল রাখে না কেউ।

সানচেজ বলেন, ‘ফুটবল আমাদের আনন্দময় জীবন দিতে পারে। কিন্তু কেউ পেছনের দৃশ্যটা দেখে না। ফুটবলের জন্য আমাদের পরিবারকে মিস করি, মায়ের জন্মদিনে থাকতে পারি না। ছেলের জন্মদিনেও না।’