advertisement
আপনি পড়ছেন

এফসি বাসেলের সঙ্গে ম্যানচেস্টার সিটির প্রথমবারের সাক্ষাৎ। উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের লড়াইটা নিয়ে একটু রোমাঞ্চ ছিল ফুটবলপ্রেমীদের। কিন্তু বেরসিক সিটি তাতে জল ঢেলে দিল ২৩ মিনিটের মধ্যেই, এগিয়ে যায় ৩-০ গোলে। আক্ষরিক অর্থে ম্যাচটা শেষ হয়ে গেছে সেখানেই। বুধবার নিষ্প্রাণ ম্যাচে ইংলিশ জায়ান্টরা সুইস ক্লাবটিকে বিধ্বস্ত করল তাদেরই মাঠে, ৪-০ গোলে।

basel crashed in manchester city

সিটিজেনদের দাপুটে এ জয়ের নায়ক এমনই একজন, যার আসল কাজ ফরওয়ার্ডদের দিয়ে গোল করানো। কিন্তু গোলের জোগান দেওয়ার পাশাপাশি জাল কাঁপানোর পুরনো অভ্যাসটা যে তার এখনো যায়নি সেটাই বুধবার রাতে মনে করিয়ে দিলেন ইকেই গান্ডোগান। ম্যাচের ৪ গোলের দুটিই করেছেন জার্মান এ মিডফিল্ডার। সিটির বাকি গোল দুটোর মালিক বার্নাডো সিলভা ও সার্জিও অ্যাগুয়েরো।

রাজসিক এই জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট জিম্মি করে নিল পেপ গার্দিওলার দল। ৭ মার্চ ইতিহাদ স্টেডিয়ামে অলৌকিক কিছু না ঘটলে সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ের নাম থাকবে ইংলিশ ক্লাবটির। সিটিজেনরা একটু নির্ভার হতেই পারে। ভালোবাসা দিবসের সম্ভাব্য সেরা উপহারই সুইজারল্যান্ড থেকে নিয়ে গেল তারা।

তাতে অবশ্য ঘুম হারাম হয়ে গেছে এফসি বাসেলের। ঘরের মাঠে ম্যানচেস্টার জায়ান্টদের আতিথেয়তা দিতে গিয়ে নিজেদের নাকাল হতে হলো কি নির্মমভাবে! সেন্ট জ্যাকব পার্কে ম্যাচটা ঠিকঠাক শুরুর আগেই শেষ হয়ে যায় বাসেলের জয়ের স্বপ্নটা। বাস্তবতা যে কঠিন সেটা তারা বুঝে গেছে ১৮ মিনিটের মধ্যেই। ১৪ মিনিটে তাদের প্রথম দুঃস্বপ্ন উপহার দেন গান্ডোগান, কেভিন ডি ব্রুয়েনের দুর্দান্ত কর্ণারের নিখুঁত পরিণতি দেন জার্মান তারকা। এই গোলের রেশটা কাটতে না কাটতেই সিলভার নিশানাভেদ (২-০)। খানেকবাদে গোল উৎসবে যোগ দিলেন অ্যাগুয়েরোও।

বুধবারের শনির দশাটা কোন পর্যায়ে গিয়ে ঠেকে সেটা নিয়ে রীতিমতো শঙ্কায় পড়ে গিয়েছিলেন স্বাগতিক সমর্থকরা। সিটি অবশ্য ততটা লজ্জা দেয়নি সুইস জায়ান্টদের। ম্যাচের বাকি সময়ে মাত্র ১টিই গোল করেছে অতিথি দলটি। ৫৩ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় ও সিটির চতুর্থ গোলটি করেন গান্ডোগান।