advertisement
আপনি পড়ছেন

একাধিক গোলে পিছিয়ে থেকেও অজেয় থেকে মাঠ ছাড়াটা ইংলিশ ক্লাবগুলোর জন্য নতুন কিছু নয়। প্রিমিয়ার লিগের সেই ধারাটা উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগেও বয়ে আনল টটেনহাম হটস্পার। মাত্র ৯ মিনিটে জোড়া গোল হজমের পরও জুভেন্টাসের সঙ্গে ম্যাচটা টটেনহাম শেষ করেছে ২-২ গোলের রোমঞ্চকর ড্রয়ে।

tottenham s thrilling draw with juventus

বুধবার নকআউট পর্বের প্রথম লেগের ম্যাচে হার এড়াতে পেরেই ভীষণ খুশি উত্তর লন্ডনের ক্লাবটি। দুই গোলে এগিয়ে থেকেও জয়বঞ্চিত হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই হতাশ জুভেন্টাস। তবে দুটি অ্যাওয়ে গোল নিয়ে ঘরে ফিরতে পারার স্বস্তি আছে তাদের। ৭ মার্চ জুভদের ঢেরা তুরিনোতে শেষ ষোলোর ফিরতি লেগের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

গ্যালারির দর্শকরা আরাম করে বসতে পারেননি। এরই মধ্যে রেফারির গোলের বাঁশি। টটেনহামের জাল কাঁপিয়ে ওয়েম্বলি স্টেডিয়াম স্তব্ধ করে দেন গঞ্জালো হিগুয়েইন। শুরুর গোলের ধাক্কাটা স্পার্সরা সামলে ওঠার আগেই ফের ম্যাচকর্তার বিপজ্জনক বাঁশির আওয়াজটা যেন স্বাগতিক সমর্থকদের বুকে শেল হয়েই বিঁধল!

টটেনহাম লেফট ব্যাক বেন ডেভিস অনর্থক ফাউল করে বসেন ফেদেরিকো বার্নার্ডেসিকে; পেনাল্টি উপহার দেন তুরিনের বুড়িদের। স্পট কিক থেকে স্কোর লাইন ২-০ করেন সেই আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকারই। ম্যাচের বয়স তখনো দুই অঙ্কে যায়নি, মাত্র ৯ মিনিট হয়েছে কেবল।

দুই গোল হজমের পর আহত বাঘের মতো জুভেন্টাসের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে টটেনহাম। একের পর আক্রমণের পসরা সাজায় অতিথিদের বিপদসীমায়। এর ফলটা ৩৫ মিনিটে পায় উত্তর লন্ডনের ক্লাবটি। জুভদের একটি গোল ফিরিয়ে দেন প্রাণভোমরা হ্যারি কেন। চ্যাম্পিয়নস লিগের এবারের মৌসুমে এটা ইংলিশ স্ট্রাইকারের সপ্তম গোল।

এই মৌসুমে নিজেদের ১৭তম গোলে পুরোপুরিভাবে ম্যাচে ফিরে আসে মারিসিও পচেত্তিনোর দল। ৭১ মিনিটে ক্রিশ্চিয়ান এরিকসন টটেনহামের দ্বিতীয় গোলটি করেন। ম্যাচের বাকি সময় আক্রমণ পাল্টা আক্রমণে মুখরিত হয়ে উঠলেও তৃতীয়বার উল্লাসের উপলক্ষ্য পায়নি কোনো দলই। তাই মহারণটাও থাকল অমীমাংসিত। ২-২ গোলের ড্র নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হলো টটেনহাম-জুভেন্টাসকে।