advertisement
আপনি পড়ছেন

স্বপ্নের একটা রাত কাটালো টটেনহাম হটস্পার। খর্বশক্তির দল রোচডেলকে ডেকে এনে ছিনিমিনি খেলল তাদের নিয়ে। বুধবার ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে অতিথিদের গোলবন্যায় ভাসিয়েছে উত্তর লন্ডনের ক্লাবটি। তবে সব ছাপিয়ে এদিন পাদ প্রদীপে থাকল ভিডিও অ্যাসিসটেন্ট রেফারি (ভিএআর) পদ্ধতি।

tottenham 6 1 goals win

পঞ্চম রাউন্ডের ম্যাচে এদিন রোচডেলকে ৬-১ গোলে চূর্ণ করেছে টটেনহাম। রাজসিক এ জয়ের ফলে শেষ দল হিসেবে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠল মারিসিও পচেত্তিনোর দল। ১৭ মার্চ এফএ কাপের সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে তাদের প্রতিপক্ষ সোয়ানসি সিটি।

ম্যাচের প্রথমার্ধটা অবশ্য জমজমাট লড়াইয়েরই ইঙ্গিত দিয়েছিল। ২৩ মিনিটে সন হিয়ুং-মিন টটেনহামকে এগিয়ে দেন। আট মিনিটের মধ্যে স্বাগতিকদের গোলটি ফিরিয়ে দেন হাম্পরিস। ১-১ ব্যবধানে বিরতিতে যায় দুই দল।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই রোচডেলের বিপদসীমা দিয়ে ঝড় বয়ে যায়। ঝড়ের নাম ফার্নান্দো লরেন্টো। ১২ মিনিটের মধ্যে হ্যাটট্রিক করে বসেন ৩৩ বছর বয়সী স্প্যানিশ স্ট্রাইকার। রোমাঞ্চ জাগানিয়া ম্যাচটা এক পেশে হয়ে যায় লরেন্টের ওই তিন গোলেই। ৬৫ মিনিটে দক্ষিণ কোরিয়ান তারকা হিয়ুং-মিন পূরণ করেন জোড়া গোল। টটেনহাম তখন ৫-১ গোলে এগিয়ে।

পাঁচ গোলের পরও যেন ক্ষুধা কমছিল না স্বাগতিক শিবিরের। রেফারি শেষ বাঁশি বাজানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখনই আরেকবার গোল উৎসব করল টটেনহাম। যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে রোচডেলের কফিনে শেষ পেড়েকটি ঠুকে দেন ওয়াকার পেটার্স।

অবশ্য টটেনহামের জয়ের ব্যবধান আরো বড় হতে পারতো। হ্যাটট্রিক পেতে পাতেন হিয়ুং-মিনও। কিন্তু টটেনহামের দু দুটো গোল বাতিল করে দেন রেফারি। দুটো গোলই বাতিলের নেপথ্য কারণ ভিএআর। ম্যাচের ৫ মিনিটে এরিক লামেলাকে রেফারি গোলবঞ্চিত করেন ফাউলের কারণে।

২৮ মিনিটে কোরিয়ান উইঙ্গারের পেনাল্টি করা থেকে গোলটা বাতিল করেন রেফারি। কারণ শট নেওয়ার উদ্দেশ্যে দৌড় দিলেও বলের কাছাকাছি গিয়ে থেমে যান তিনি। পরে শট নেন। যে কারণে তাকে হলুদ কার্ডও দেখতে হলো।

দুটি গোল বাতিল হওয়ার ক্ষোভটা ম্যাচ শেষে উগড়ে দিয়েছেন টটেনহাম কোচ পচেত্তিনো। বড় জয়ের পরও রেফারিকে এক হাত নিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি ভিএআর পদ্ধতিকে বিরক্তিকর বলে আখ্যায়িত করেছেন স্বাগতিক কোচ।