advertisement
আপনি পড়ছেন

নেইমারের মৌসুম শেষ। এনিয়ে সংশয় নেই। অনিশ্চয়তা আছে তার রাশিয়া বিশ্বকাপ ভাগ্য নিয়ে। কিন্তু পিএসজি স্ট্রাইকারকে নিয়ে বিন্দুমাত্র ধোঁয়াশার মধ্যে থাকতে নারাজ ব্রাজিল। তাই যথাসম্ভব নেইমারের পায়ের অস্ত্রোপচার করাচ্ছে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। এবং সেটা আজই (শনিবার)।

naymar in hospital

সেলক্ষ্যে শুক্রবার বেলো হরিজন্তের একটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে নেইমারকে। বিশ্বের সবচেয়ে দামি ফুটবলারের সঙ্গে আছেন ব্রাজিল দলের চিকিৎসক রদ্রিগো লাসমার। বেলো হরিজন্তের ম্যাটার ডেই হাসপাতালে সার্জনের ছুরির নিচে শায়িত হবেন নেইমার।

গত সপ্তাহে ফ্রেঞ্চ লিগে অলিম্পিক মার্শেই ম্যাচে ডান পায়ে চোট পেয়েছিলেন নেইমার। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছিল শুধু গোড়ালি মচকে গেছে তার। এরপর পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর এল আরো বড় দুঃসংবাদ।

নেইমারের পায়ের পাতার পঞ্চম মেটাটার্সালের হাড় ভেঙে গেছে। কিন্তু ৬ মার্চ রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে ফিরতি লেগের মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। চ্যাম্পিয়নস লিগে টিকে থাকতে তাই নেইমারের অস্ত্রোপচারের পক্ষে ছিল না পিএসজি। তাদের ধারণা- অস্ত্রোপচার ছাড়া বিশ্রাম নিলেই সুস্থ হয়ে উঠবেন প্রাণভোমরা।

কিন্তু ঝুঁকি এড়াতে নেইমার, তার বাবা এবং ব্রাজিল ফুটবলের নীতি-নির্ধারকরা সার্জারির সিদ্ধান্ত নেন। পিএসজির তাই আপত্তিরও আর কোনো সুযোগ ছিল না। কালক্ষেপণ না করে দ্রুতই বৃহস্পতিবারই দেশে ফিরে আসেন নেইমার। আপাতত হুইল চেয়ার এবং বিছানা-ই ব্রাজিলিয়ান সেনসেশনের সঙ্গী।

অস্ত্রোপচার পরবর্তী নির্বাসন পক্রিয়ায় আড়াই থেকে তিন মাস সময় লেগে যাবে। ব্রাজিল দলের চিকিৎসক লাসমার আশাবাদী বিশ্বকাপের আগেই পুরোপুরি ফিট হয়ে উঠবেন নেইমার।

তা অস্ত্রোপচারের আগে নেইমারের মনের অবস্থা কী? স্বাভাবিকভাবেই লাসমারের কাছে প্রশ্নটা এল। জবাবে গণমাধ্যমকে তিনি বলেছেন, ‘নেইমারের মন খারাপ। কিন্তু সে বুঝতে পারছে এটা (অস্ত্রোপচার) ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। যত দ্রুত সম্ভব সুস্থ হয়ে উঠতে নেইমার সবকিছু করতে প্রস্তুত আছেন।’

১৪ জুন মস্কোয় রাশিয়া-সৌদি আরব ম্যাচ দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করবে ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ। তবে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ অভিজান শুরু হবে দুদিন পর। প্রথম ম্যাচে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা সুইজারল্যান্ডের মুখোমুখি হবে। ফুটবল দুনিয়ার প্রার্থনা- সেই ম্যাচেই যেন শতভাগ ফিট হয়ে মাঠে নামতে পারেন নেইমার।