advertisement
আপনি পড়ছেন

ম্যাচের নির্ধারিত সময়ের খেলা শেষ হয়ে গেছে বেশ আগে। অতিরিক্ত সময়েরও পেরিয়ে গেছে দুই মিনিটের মতো। প্রতিপক্ষ মিশর তখন ১-০ গোলে এগিয়ে। এমন পরিস্থিতিতে কি আর ভালো কিছু আশা করা যায়! পর্তুগিজরা সবাই হয়তো মনে মনে ‘হার নিশ্চিত’ ভাবছিলেন। কিন্তু ম্যাচ শেষে তাদের মুখেই চওড়া হাসি! তাদের দলে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো নামের একজন আছেন যে।

ronaldo goal vs egypt1

হারতে বসা ম্যাচ কতো বার জিতিয়েছেন তার ইয়ত্তা নেই। কালও তেমন কিছু করে দেখালেন রোনালদো। যোগ করা সময়ে দুই মিনিটের ব্যবধানে অসাধারণ দুই হেডে পর্তুগালকে হারের মুখ থেকে ২-১ গোলের জয় এনে দিয়েছেন। তবে রোনালদোর কালকের এই ম্যাচ জেতানোটা মনে থাকবে অনেকদিন।

আক্রমণ প্রতিআক্রমণের জমজমাট ম্যাচে ৯২ মিনিট পর্যন্ত এগিয়ে ছিল মিশর। রোনালদো তার আগে খুব দারুণ কিছু করতে পারেননি। তার কিই-বা দরকার, ম্যাচ জেতাতে রোনালদোর জন্য দুই মিনিটই তো যথেষ্ট!

৯২ মিনিটে কোয়ারসেমির ক্রস পেলেন জায়গা মতো। ক্রসে রোনালদো এমন ভাবে মাথা চালালেন যেন এর অপেক্ষাতেই তিনি ছিলেন! রোনালদোর হেড গোলরক্ষকের অনেকটা সামনে গিয়ে পড়ে লাফিয়ে উঠল। বিভ্রান্তিতে পরে দ্বিতীয়বারের চেষ্টাতেও বল ঠেকাতে পারেননি মিশর গোলরক্ষক, গোল।

গোলের বাঁশি বাজার পরই বল নিয়ে ভোঁ দৌড়ে সেন্টারে বসিয়ে দিলেন। হাতে সময় নেই, জিততে যে আরও এক গোল দরকার। রোনালদো গোল করলেন দুই মিনিট না যেতেই, শেষ বাঁশি বাজার একটু আগে। সহায়ক আবারও সেই কোয়ারসেমি।

ফ্রি-কিক থেকে শট নিয়েছিলেন কোয়েরসেমি, ডি-বক্সে প্রস্তুত ছিলেন রোনালদো। লাফিয়ে উঠে যে গতিতে বার ঘেষে হেডটি নিলেন, তারপর কিছুই করার ছিল না মিশরের গোলরক্ষকের। দ্বিতীয় গোল! ১-০ তে পিছিয়ে থাকা পর্তুগাল রোনালদোর দুই মিনিটের ব্যবধানে দুই হেডে হঠাৎই ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে! ম্যাচের শেষ বাঁশি বেজেছে দ্বিতীয় গোলের পরই।

বয়সের ভারে আগের সেই তেজ হয়তো নেই আর। তবে অন্যদের চেয়ে এখনো ঠিকই অনেকটা এগিয়ে আর একবার বুঝিয়ে দিলেন রোনালদো।