advertisement
আপনি দেখছেন

রেকর্ড গড়ার দু’ দুটো সুযোগ পেয়েছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। প্রথম ম্যাচে পর্তুগিজ যুবরাজ ব্যর্থ হয়েছেন গোল করতে। দ্বিতীয়টাতে তো গোলে পেতে পেতে পাননি তিনি। রোনালদোর ফ্রি-কিক ছুটছিল লকোমোটিভ মস্কোর জালের দিকে। কিন্তু গোললাইনের সামনে এসে বলে পা ছুঁয়ে দেন অ্যারন র‌্যামসে!

messi breaks ronaldo and rauls record

গোলটার মালিক হয়ে গেলেন জুভেন্টাসের ওয়েলস উইঙ্গার। সতীর্থের গোলচুরির ঘটনায় হতাশ রোনালদো। তাতে রেকর্ড গড়া হলো না তার। আসলে রেকর্ডটা লেখা ছিল লিওনেল মেসির নামেই। রোনালদোর গোল না পাওয়া নিয়েই তাই বিধাতার এই নাটকীয়তা। শেষ পর্যন্ত রাউল গঞ্জালেসকে টপকে নতুন রেকর্ড গড়লেন মেসি।

উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে সর্বোচ্চ ৩৪টি আলাদা প্রতিপক্ষের জাল কাঁপিয়ে অনন্য উচ্চতায় উঠে গেলেন মেসি। কাল রাতে বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের বিরুদ্ধে গোল করে রিয়াল মাদ্রিদের দুই কিংবদন্তিকে পেছনে ফেললেন বার্সেলোনার আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। রেকর্ড গড়া ম্যাচটা ছিল আবার মেসির বার্সার জার্সিতে ৭০০তম!

ঘরের মাঠ ন্যু ক্যাম্পে ডর্টমুন্ডকে ৩-১ গোলে বিধ্বস্ত করেছে বার্সেলোনা। ম্যাচের তিন গোলের সঙ্গেই জড়িয়ে থাকল মেসির নাম। দলের প্রথম ও শেষ গোলটি তিনি করিয়েছেন সতীর্থদের দিয়ে। সুয়ারেজ ও গ্রিজম্যানের গোলের মাঝেরটি করেছেন মেসি। ৩৩ মিনিটে এলো বহুল প্রতীক্ষিত গোল। চলতি মৌসুমে এটা মেসির দশম গোল।

অবাক হওয়ার মতো তথ্য হচ্ছে, দীর্ঘ ১৫ বছরে ডর্টমুন্ডের বিরুদ্ধে গোল করতে পারেননি মেসি। কাল আক্ষেপটা ঘোচালেন। সবমিলিয়ে বার্সার জার্সিতে এটা মেসির ৬১৩তম গোল। আর চ্যাম্পিয়নস লিগে তার গোল হলো ১১৪টি। ইউরোপের সর্বোচ্চ মঞ্চে মেসির চেয়ে বেশি গোল আছে শুধু একজনেরই। তিনি চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো (১২৭)।