advertisement
আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 10 মিনিট আগে

এক মঞ্চে জ্বলে উঠলেন প্যারিস সেন্ট জার্মেইর (পিএসজি) তিন তারকা ফুটবলার। জোড়া গোল করলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। স্কোরার শিটে নাম তুললেন ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার নেইমার ও আর্জেন্টাইন ফরওয়ার্ড মাউরো ইকার্দি। এই ত্রয়ীর নৈপুণ্যে ফ্রেঞ্চ লিগ ওয়ানে বড় জয় দিয়ে বছর শেষ করল ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন পিএসজি।

paris st germain s win over amiens

শনিবার রাতে ঘরের মার্ক পার্ক ডু প্রিন্সেসে এমিয়েন্সকে ৪-১ গোলে বিধ্বস্ত করেছে পিএসজি। লিগ ওয়ানের চলতি আসরে এটা টমাস টুখেলের দলের পঞ্চাদশ জয়। ১৮ ম্যাচে ৪৫ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থান সবার ধরাছোঁয়ার বাইরে নিয়ে গেছে পিএসজি। এক ম্যাচ বেশি খেলে সাত পয়েন্ট পিছিয়ে দুইয়ে আছে অলিম্পিক মার্শেই।

ফলটাই বলে দিচ্ছে ম্যাচটা কতটা একতরফা হয়েছে। পাঁচ গোলের ম্যাচে প্রথমার্ধে অবশ্য একটির বেশি হয়নি। ম্যাচের বয়স দুই অংকে যেতেই স্বাগতিকদের লিড এনে দেন এমবাপ্পে। ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ার পর বিশ্বজয়ী ফরাসি সেনসেশন করেন নিজের দ্বিতীয় গোল। আর তাতেই লিগের চলতি আসরে গোল সংখ্যায় দুই অংক ছুঁয়ে ফেললেন মোনাকোর সাবেক স্ট্রাইকার।

এমবাপ্পের দুই গোলের মাঝে ৪৬ মিনিটে পিএসজির পক্ষে দ্বিতীয় গোলটি করেন নেইমার। লিগে চলতি মৌসুমে এটা তার সপ্তম গোল। তিন গোল হজমের পর ঘুম ভাঙে এমিয়েন্সের। ৭০ মিনিটে পিএসজিকে একটি গোল ফিরিয়ে দেয় তারা। অতিথিদের হয়ে গোল করেন স্টিভেন মেন্ডোজা। যদিও এমিয়েন্সের একমাত্র গোলের আনন্দ একটু পরই মাটি হয়ে গেছে।

৮৪ মিনিটে ইকার্দির গোলে আরো একবার উচ্ছ্বাসে ভাসে পিএসজি। লিগে এনিয়ে টানা ষষ্ঠ ম্যাচে জিতল পিএসজি। দাপুটে এই জয় দিয়ে বড়দিন উদযাপনে যাচ্ছেন টুখেলের শিষ্যরা। এই জয়ের নায়ক আক্রমণভাগের তিন সারথিই। এদিন প্যারিসে নেইমার, এমবাপ্পে, ইকার্দি রসায়নটা দারুণভাবেই জমে উঠেছিল।

এমবাপ্পেকে দিয়ে ম্যাচের প্রথম গোল করিয়েছেন নেইমার। পরে ব্রাজিলিয়ান তারকার গোলের উৎস ছিলেন ইকার্দি। শেষ বাঁশির আগে  আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকারও নাম লেখালেন গোলের খাতায়। মৌসুমে পিএসজিতে ধারে খেলতে এসে ইতোমধ্যে ১৪টি গোল করে ফেললেন ইন্টার মিলান তারকা ইকার্দি। কিন্তু ম্যাচ শেষে পাদ প্রদীপে থাকলেন শুধুই এমবাপ্পে।

সেটা শুধু পারফরম্যান্সের জন্য নয়। অন্য একটা কারণও আছে। কাল ম্যাচ চলাকালীন মাঠের মধ্যে ঢুকে পড়েন এমবাপ্পের এক খুদে ভক্ত। প্রিয় তারকার কাছে অটোগ্রাফের দাবি করেন ওই ভক্ত। ভক্তকে হতাশ করেননি ফরাসি সেনসেশন। খুশিমনেই ভক্তের আবদার মিটিয়ে দিয়েছেন পিএসজি তারকা এমবাপ্পে।

sheikh mujib 2020