advertisement
আপনি দেখছেন

মাঠে তুমুল লড়াই চলছে রিয়াল মাদ্রিদ ও সেল্টা ভিগোর মধ্যে। এর মধ্যে ডাগ আউটে ঘটে গেল অদ্ভূত এক কাণ্ড। বলে শট নিতে গিয়ে ভারসাম্য হারিয়ে হোসে গার্সিয়া। মুহূর্তেই রিয়াল মাদ্রিদ কোচ জিনেদিন জিদানের ওপর গিয়ে পড়লেন সেল্টা ভিগো ফুটবলার। সম্মূখভাগে ওই ফুটবলারের গায়ের ওপর পড়ে গেলেন জিদানও!

gareth bale 2020

মাটিতে পড়ে যাওয়ার সময় প্রতিপক্ষ ফুটবলারের বুটের লাথি লাগে জিদানের মুখে। তবে ভয়ের কিছু নেই। সুস্থ আছেন জিদান। কিন্তু স্বস্তিতে নেই তিনি। ম্যাচে যে জিজুর দল রিয়াল মাদ্রিদকে ২-২ গোলে রুখে দিয়েছে অতিথি সেল্টা ভিগো! স্প্যানিশ লা লিগায় চলতি মৌসুমে এনিয়ে আটবার ড্র করল রিয়াল মাদ্রিদ।

কাল রাতে ঘরের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে শুরুতেই একটা ধাক্কা খায় মাদ্রিদ জায়ান্টরা। সাত মিনিটে স্বাগতিক দর্শকদের গগনবিদারী চিৎকার থামিয়ে দেয় সেল্টা ভিগো। রিয়ালের জাল কাঁপিয়ে অতিথিদের উচ্ছ্বাসে ভাসান ফিওদর স্মোলভ। ম্যাচের শুরুতে এগিয়ে যাওয়া সেল্টা ভিগো প্রথমার্ধজুড়ে রিয়ালের ওপর ছড়ি ঘোরালো।

দ্বিতীয়ার্ধে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় রিয়াল মাদ্রিদ। স্বাগতিকদের সমতায় ফেরান টনি ক্রুস। মার্সেলোর কাছ থেকে বল পেয়ে ব্যবধান ১-১ করেন জার্মান মিডফিল্ডার। রিয়াল মাদ্রিদ অধ্যায়ে সেল্টা ভিগোর বিরুদ্ধে এটা ক্রুসের ষষ্ঠ গোল। যা স্প্যানিশ লিগে নির্দিষ্ট কোনো প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে জার্মান তারকার সর্বোচ্চ গোলের নজির।

এই গোলের আগে যা ঘটল তা কেবল শুধুই রিয়ালের দুর্ভাগ্য। ৪৯ মিনিটেই সমতায় ফিরতে পারতো জিদানের দল। কিন্তু গ্যারেথ বেলের গোলটা বাতিল হলো সার্জিও রামোস অফসাইডের ফাঁদে পা দেয়ায়। রিয়াল অবশ্য প্রথম গোল পেয়েছে একটু পরই। গোলটা ডাগ আউটে বসে দেখেছেন লুকাস ভাসকুয়েজ। একটু আগেই যে হাঁটুর ইনজুরি নিয়ে মাঠ থেকে ফিরে এসেছেন তিনি!

ইনজুরি কাটিয়ে লম্বা সময় পর এই ম্যাচ দিয়ে মাঠে ফিরেছেন ইডেন হ্যাজার্ড। ফেরার ম্যাচে দলের দ্বিতীয় গোলে অবদান রাখলেন বেলজিয়ান মিডফিল্ডার। হ্যাজার্ডকে নিজেদের ডি-বক্সে ফেলে দেন সেল্টা ভিগো গোলরক্ষক রুবেন ব্ল্যাঙ্কো। অবধারিতভাবেই পেনাল্টি পায় রিয়াল। স্পট কিক থেকে স্বাগতিকদের লিড এনে দেন রামোস।

অধিনায়কের এই গোলের ওপর দাঁড়িয়ে জয়ের আশাতেই ছিল রিয়াল মাদ্রিদ। কিন্তু ৮৫ মিনিটে তাদের নিরাশ করেন সান্তি মিনা। বেঞ্চ ছেড়ে এসেই গোলটা করলেন তিনি। তাতেই পয়েন্ট হারাল রিয়াল। তবে হোঁচটের পরও ৫৩ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে জিজুর দল। এক পয়েন্ট পিছিয়ে দুইয়ে আছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা। তিনে থাকা গেটাফের অর্জন ৪২ পয়েন্ট।