advertisement
আপনি দেখছেন

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে সোমবার রাতে চেলসি যেভাবে হারল সেটাকে দুর্ভাগ্যই বলা যায়। দুইবার ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের জালে বল পাঠিয়েও গোল পেল না পশ্চিম লন্ডনের ক্লাবটি। গোলপোস্টও দুবার হতাশ করেছে তাদের। ম্যাচজুড়ে নিজেদের হারিয়ে খোঁজা চেলসি দুই অর্ধে দুই গোল হজম করে শেষ পর্যন্ত মহারণ হেরে বসল।

man utd celebration 2020

কাল রাতে ঘরের মাঠ স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের কাছে ২-০ গোলে হেরে গেল চেলসি। লিগের চলতি মৌসুমে প্রথমবারের দেখাতেও রেড ডেভিলসদের কাছে হেরেছিল লন্ডনের জায়ান্টরা। গত আগস্টে ওল্ড ট্রাফোর্ডে ৪-০ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছিল তারা। এবার হারের ব্যবধান কমল তাদের।

এই মৌসুমে অদ্ভূত একটা বৈশিষ্ট্য নিয়ে এগিয়ে চলছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। ছোট দলগুলোর বিপক্ষে নিজেকে হারিয়ে খোঁজা ওলে গানার সুলশারের দল বড় ম্যাচে ঠিকই বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে যায়। লিগের চলতি আসরে সবকটি জায়ান্ট দলের সঙ্গেই দুর্দান্ত খেলেছে তারা।

ধারাটা চেলসির বিরুদ্ধেও ধরে রাখল ইউনাইটেড। এজন্য দলটির কোচ সুলশার ধন্যবাদ দিতে পারেন দুই শিষ্য অ্যান্তনি মার্শিয়াল ও হ্যারি ম্যাগুইরিকে। ম্যাচের গোল দাতা এই দুজনই। ৪৫ অ্যারন ওয়ান-বিসাকার ক্রস থেকে মাথা ছুঁয়ে চেলসির জালে বল পাঠান মার্শিয়াল। ৬৬ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ম্যাগুইরি।

দুটি গোল করেছে চেলসিও। কিন্তু বঞ্চিত হতে হয়েছে দুবারই। গোলপোস্টও তাদের নিরাশ করেছে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ম্যাসন মাউন্টের শট ম্যানইউর পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ৬৪ মিনিটে একইভাবে ইউনাইটেড মিডফিল্ডার ব্রুনো ফার্নান্দেজকেও হতাশ করেছে। চেলসির হতাশাটা একটু বেশিই।

৭৫ মিনিটে ম্যানইউর জালে বল পাঠালেও অলিভার জিরার্ডের গোলটা বাতিল হয় অফসাইডের ফাঁদে পড়ে। ভিএআরের সাহায্যে গোলটা বাতিল করেন ম্যাচকর্তা। প্রথমার্ধেও এমন বাজে অভিজ্ঞতা হয়েছিল তাদের। চেলসির হতাশা এখানেই শেষ নয়। ৮৯ মিনিটে মাউন্টের ফ্রি-কিক-ও ঠেকিয়ে দেয় গোল পোস্ট।

ম্যাচজুড়ে দারুণ খেলেও হেরে যাওয়া চেলসি এনিয়ে টানা চার ম্যাচ জয়শূন্য থাকল। উল্টো দিকে তিন ম্যাচ পর জয়ে ফিরল ম্যানইউ। লিগের চলতি মৌসুমে এটা রেড ডেভিলসদের দশম জয়। এই জয়ে ২৬ ম্যাচে ৩৮ পয়েন্ট নিয়ে লিগ তালিকার সাতে উঠে এলো ম্যানইউ।

চলতি নবমবার হারের মুখ দেখা চেলসি ৪১ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের চতুর্থস্থান ধরে রেখেছে। এক ম্যাচ কম খেলে ৭৬ পয়েন্ট নিয়ে যথারীতি শীর্ষে আছে আছে লিভারপুল। দুইয়ে থাকা ম্যানচেস্টার সিটির পয়েন্ট ৫১। তিনে থাকা লেস্টার সিটির সংগ্রহ ৫০ পয়েন্ট।