advertisement
আপনি দেখছেন

প্রধান কোচ স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসন নির্বাসনে যাওয়ার পর থেকেই নিজেদের হারাতে বসেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। গেল কয়েক বছরে কয়েকজন কোচ এনেও লাভ হয়নি। এর মধ্যে সবচেয়ে সফল কোচ ছিলেন হোসে মরিনহো। রেড ডেভিলসদের দুটি শিরোপা জিতিয়েছেন পর্তুগিজ কোচ।

manchester united celebration 2017

তার এই সাফল্যের চাবিকাঠি ছিল জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচ। ইন্টার মিলানের পুরনো শিষ্যকে ওল্ড ট্রাফোর্ডে তিনিই ফিরিয়ে এনেছিলেন। গুরুর আস্থার প্রতিদান দিয়েছিলেন সুইডিস কিংবদন্তি। ইনজুরির সময়টুকু বাদ দিলে ইউনাইটেডের জার্সিতেও সেরা ছন্দে ছিলেন বার্সেলোনার প্রাক্তন স্ট্রাইকার।

এসবকিছু সবারই জানা। ফুটবল দুনিয়া জানতো মরিনহো-পগবা দ্বন্দের কথাও। কিন্তু দলের মধ্যে আরেকটা স্নায়ুযুদ্ধ ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড সংশ্লিষ্ট ছাড়া কেউ জানতেন না। সেটাই জানালেন মার্কোস রোহো। আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার সামনে আনলেন ইব্রার সঙ্গে তার মানসিক ও বাকযুদ্ধের কথা। ২০১৭ সালে ম্যানইউতে থাকাকালীন মাঠে এবং মাঠের বাইরে দুজনের মধ্যে তুমুল লড়াই হয়েছিল।

তিন বছর পর তিক্ত সেই অভিজ্ঞতার কথা গণমাধ্যমকে বলে দিলেন রোহো, ‘সে (ইব্রা) সবসময়ই বল চাইতো। যখন বল আমার কাছে আসতো তখন ইব্রার বদলে আমি পগবাকে দিতাম। সে চিৎকার করতে থাকে। হাত ওঠাতে থাকে। সে আমাকে সবকিছুই বলতো। আমি তাকে বলতাম, কী হয়েছে বড় নাকওয়ালা? চুপ থাকো।’

এসবকিছু দলের খেলোয়াড়দের সামনেই চলতো। এমনকি প্রধান কোচ মরিনহোর সামনেও। তখন দুজনকে থামানোর চেষ্টা করতেন পর্তুগিজ কোচ। আজ আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার এভাবেই বলে গেলেন, ‘যখন সে লকার রুমে ঢুকতো তখন আমি তাকে বলতাম চুপ করো, চেচামেচি থামাও। আমরা একে অন্যকে অপমান করে কথা বলতে শুরু করি। তখন হোসে মরিনহো আমাদের শান্ত করার চেষ্টা করতেন।’

মরিনহো, ইব্রা এবং রোহো- তিনজনেরই ঠিকানা পরিবর্তন হয়েছে। শেষজনকে গেল জানুয়ারিতে মার্কিন ক্লাব লা প্লাতায় ধারে খেলতে পাঠিয়ে দিয়েছে ম্যানইউ। ওল্ড ট্রাফোর্ড ছাড়ার পর মার্কিন ফুটবল ঘুরে ইব্রা ফিরেছেন পুরনো ঠিকানা এসি মিলানে। মরিনহো কার্যত দাঁড়িয়ে আছেন টটেনহাম হটস্পারের ডাগ আউটে।

sheikh mujib 2020