advertisement
আপনি দেখছেন

২০১৪ ব্রাজিল বিশ্বকাপ কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন টনি ক্রুস। জার্মানির বিশ্বজয়ের অন্যতম সারথি ছিলেন এই মিডফিল্ডার। বিশ্ব জয়ের বছরেই বায়ার্ন মিউনিখ থেকে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে যোগ দেওয়ার কথা ছিল জার্মান সেনসেশনের। সবকিছু ঠিকঠাক ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে সবকিছু ভোজবাজির মতো পাল্টে গেছে।

toni kroos david moyes

ইংলিশ ফুটবলে যাওয়া হলো না ক্রুসের। এই মিডফিল্ডার রিয়াল মাদ্রিদের চুক্তি সই করে এলেন সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে। নাটকীয় এই দল বদলের কথা ছয় বছর পর প্রকাশ করলেন জার্মান মিডফিল্ডার। তৎকালীন প্রধান কোচ ডেভিড ময়েসকে ছাঁটাই করার কারণেই ম্যানইউতে যাওয়া হয়নি বলে জানালেন ক্রুস। তখনই রিয়াল লুফে নেয় তাকে।

স্কটিশ কোচ ময়েসকে বাদ দিয়ে ডাচ কিংবদন্তি কোচ লুইস ফন গালকে নিয়োগ দেয় ম্যানইউ। তাতেই ক্রুসের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলে ক্লাবটি। ওই সময় লিভারপুলের দুই তারকা লুইস সুয়ারেজ (বর্তমানে বার্সেলোনায়) এবং স্টিভেন জেরার্ড তাকে অ্যানফিল্ডে আসার পরামর্শ দেন। কিন্তু লিভারপুল কিংবা ম্যানইউ নয়, ক্রুস বেছে নিলেন রিয়াল মাদ্রিদকেই।

এনিয়ে মঙ্গলবার রাতে ক্রুস বলেছেন, ‘ওই সময় সবকিছু সহজ ছিল না। তারা (ম্যানইউ) আমাকে চেয়েছিল। ডেভিড ময়েস আমার সঙ্গে কথা বলেন। এক প্রকার চুক্তি সম্পন্ন হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু এরপরই ময়েসকে ছাঁটাই করা হয় এবং লুইস ফন গাল আসেন (ম্যানইউতে)। তাতে করে বিষয়টা (ম্যানেইউতে যাওয়া) জটিল হয়ে যায়।’

রিয়াল মাদ্রিদ মিডফিল্ডার আরো বলেছেন, ‘লুইস (ফন গাল) নিজের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সময় নেন। এরপর আমি আর ম্যানইউর কথা একবারও ভাবিনি। বিশ্বকাপ শুরু হলো এবং কার্লো আনচেলত্তি (তখনকার রিয়াল মাদ্রিদের প্রধান কোচ) আমাকে ডাকেন। আমি রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেই।’

sheikh mujib 2020