advertisement
আপনি দেখছেন

এই তো গেল অক্টোবরের কথা। টটেনহাম হটস্পারকে ৭-২ গোলে ‍চূর্ণ করেছিল বায়ার্ন মিউনিখ। উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের গ্রুপপর্বের সেই ম্যাচে টটেনহামের বিরুদ্ধে চার গোল করেছিলেন সার্জি জিন্যাব্রি। মঙ্গলরাত লন্ডনের আরেক ক্লাব চেলসির বিরুদ্ধে জ্বলে উঠলেন জার্মান মিডফিল্ডার। এবার তিনি করলেন জোড়া গোল!

gnabry celebration 2020

জিন্যাব্রির দুর্দান্ত এই পারফরম্যান্সের ওপর দাঁড়িয়ে চেলসিকে তাদেরই মাঠে ৩-০ গোলে বিধ্বস্ত করল বায়ার্ন মিউনিখ। দাপুটে এই জয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল এক প্রকার নিশ্চিত হয়ে গেল বাভারিয়ান ক্লাবটির। টুর্নামেন্টে টিকে থাকতে ফিরতি লেগে বায়ার্ন মিউনিখের মাঠে চার গোলের ব্যবধানে জিততে হবে চেলসিকে। পশ্চিম লন্ডনের ক্লাবটির পক্ষে কার্যত তা অসম্ভবই বলা চলে।

ইউরোপের শীর্ষস্থানীয় প্রতিযোগিতার দুই দলের শেষবার দেখা হয়েছিল প্রায় আট বছর আগে। সেই ম্যাচে থ্রিলার উপহার দিয়েছিল তারা। মহানাটকীয় সেই মহারণে পেনাল্টিতে বাজিমাত করে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয় চেলসি। পরের বছর উয়েফা সুপার কাপের শিরোপা-ও নিষ্পত্তি হলো ২-২ গোলে ড্রয়ের পর। টাইব্রেকারে এবার জেতে জার্মান ক্লাবটি।

দীর্ঘ সাত বছর পর ফের মুখোমুখি দল দুটি। স্বাভাবিকাবেই মহারণের উত্তেজনা ছিল চরমে। লন্ডনে প্রথমার্ধে দুর্দান্ত লড়াইও উপহার দিয়েছিল তারা। বিরতির পর পাল্টে গেল ম্যাচের চিত্র। একচেটিয়া ফুটবল খেলতে থাকা বায়ার্ন ছড়ি ঘোরাতে থাকে  চেলসির ওপর। প্রথমার্ধে গোলশূন্য ড্র-এ শেষ হওয়া ম্যাচটা শেষ অবধি বায়ার্ন জিতেছে বড় ব্যবধানে।

এই ম্যাচটায় হারের সঙ্গে চেলসির জন্য বাড়তি হতাশা হয়ে এলো মার্কোস আলোনসো দ্বিতীয়বার হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়ায়। লাল কার্ড দেখা এই তারকা দ্বিতীয় লেগের ম্যাচেও নিষিদ্ধ থাকবেন। তাতেই শেষ হয়ে গেল চেলসির সম্ভাবনা। আসলে ঘরের মাঠে তিন গোলে হারার পর কোনো দলের স্বপ্ন দেখাটাও অমূলক হয়ে যায়।

বিরতির পর চার মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল করেন জিন্যাব্রি। টুর্নামেন্টের চলতি আসরে এনিয়ে ছয় গোল হলো জার্মান ফরওয়ার্ডের। দুই গোল হজমের পর আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি চেলসি। উল্টো ৭৬ মিনিটে আরেকটি ধাক্কা খেতে হয় তাদের। বায়ার্ন মিউনিখের পক্ষে তৃতীয় গোলটি করেন রবার্ট লেভানডফস্কি। এরার ৮৩ মিনিটে আলোনসোর লাল কার্ড; যা স্বাগতিকদের হতাশা বাড়িয়ে দিয়েছে কয়েকগুণ।

sheikh mujib 2020