advertisement
আপনি দেখছেন

ধাক্কাটা প্রথম লেগেই খেয়েছিল টটেনহাম হটস্পার। ঘরের মাঠ হোয়াইট হার্ট লেনে হেরে বসে তারা। কাল রাতে প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালের দ্বিতীয় লেগে তো রীতিমতো বিধ্বস্ত হতে হলো উত্তর লন্ডনের ক্লাবটিকে। টটেনহামকে ডেকে নিয়ে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে লাইপজিগ। দুই লেগ মিলিয়ে ৪-০ ব্যবধানে জিতে জার্মান জায়ান্টরা প্রথমবারের মতো উঠে গেল উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ আটে।

jose mourinho tottenham 2019 20

তাতেই সুতোয় ঝুলে গেল টটেনহাম প্রধান কোচ হোসে মরিনহোর চাকরিটা। সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এনিয়ে টানা ছয় ম্যাচ জয়হীন থাকলেন পর্তুগিজ কোচ। বর্ণিল ক্যারিয়ারে এরচেয়ে বাজে সময় আর কখনোই আসেনি ‘স্পেশাল ওয়ান’, ‘অনলি ওয়ান’, ‘হ্যাপি ওয়ান’ খ্যাত এই কোচের। মরিনহোর হারের বৃত্ত ভাঙতে কত ম্যাচ লাগে কার্যত সেটাই দেখার অপেক্ষা।

অবশ্য টটেনহাম কোচের কিছু করার নেই। ইনজুরির কারণে বেহাল দশা তার দলের। চোটের কারণে দলের সেরা দুই তারকা হ্যারি কেন ও সন হিয়ুং মিন ছিটকে গেছেন মৌসুমের বাকি সময়ের জন্য। এই দুজনের অনুপস্থিতি গেল কয়েকটা ম্যাচে ভালোভাবেই টের পেল উত্তর লন্ডনের ক্লাবটি। শেষ ছয় ম্যাচের চারটিতে হেরে বসা দলটা ড্র করেছে দুটি ম্যাচে।

এই বিপর্যয়ের মধ্যে টটেনহাম ছিটকে গেছে এফএ কাপ ও উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ থেকে। ইংলিশ লিগ কাপ থেকে দলটি বিদায় নিয়েছে আরো আগে। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ টেবিলেও আট নম্বরে নেমে গেছে তারা। তাতে করে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের আগামী মৌসুমের টিকিট কাটাও তাদের জন্য কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে উঠেছে। কার্যত ২৯ ম্যাচে ৪১ পয়েন্ট টটেনহামের। চারে থাকা চেলসির সঙ্গে তাদের ব্যবধান সাত পয়েন্টের।

ক্লাবের ধারাবাহিক ব্যর্থতায় এই মৌসুমের শুরুর দিকে চাকরি হারিয়েছেন মাওরিসিও পচেত্তিনো। আর্জেন্টাইন কোচকে বাদ দিয়ে মরিনহোকে নিয়োগ দিয়েছেন টটেনহামের নীতি নির্ধারকরা। স্পার্সদের ডাগ আউটে শুরুটা দারুণই করেছিলেন পর্তুগিজ কোচ। কিন্তু ইনজুরি বাধা হয়ে দাঁড়াল মৌর পথচলায়। এবার তো টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে হারের অভিজ্ঞতা হলো দুবারের চ্যাম্পিয়নস লিগজয়ী কোচের।