advertisement
আপনি দেখছেন

করোনাভাইরাস নিয়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বেড়েছেই চলছে। এই রোগের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে ক্রীড়াঙ্গনেও। বিশ্বের প্রায় সব দেশেই সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। তন্মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হচ্ছে ফাঁকা গ্যালারিতে ইভেন্ট আয়োজন করা কিংবা খেলাধুলা স্থগিত করে দেওয়া।

euro 2020 logo

সংক্রমণ ঠেকাতে একটার পর একটা লিগ ও টুর্নামেন্ট পেছানের খবর আসছে। পুরো বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছে ইউরোপিয়ান ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা উয়েফা। গতকাল রাতে তারা পিএসজি-বরুসিয়া ডর্টমুন্ড মহারণ আয়োজন করেছে ফাঁকা গ্যালারিতে। আজ স্থগিত করলো ইউরোপা লিগের ম্যাচগুলো।

লোকজনের সমাগম সাধারণত যেসব জায়গায় হয় তন্মধ্যে অন্যতম স্টেডিয়াম। তাই গ্যালারি ফাঁকা রাখার সিদ্ধান্ত এসেছে। তবু মহামারি রূপ নেওয়া এই ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে আনা কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে উঠেছে। তাতে করে ইউরোপিয়ান শীর্ষস্থানীয় লিগগুলো শেষ করা বেশ চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠছে। ওদিকে মৌসুমও ফুরিয়ে আসছে।

খুব শিগগির পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে মৌসুমের বাকি সময়ের মধ্যে ম্যাচগুলো শেষ করা যাবে না। মৌসুম শেষে আবার শুরু হচ্ছে ইউরোপের ফুটবলের সর্বোচ্চ টুর্নামেন্ট ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ। আগামী ১২ জুন টুর্নামেন্ট শুরুর কথা রয়েছে। এই আয়োজন পেছানো হবে কিনা এ নিয়ে আজ দিনভর আলোচনা হয়েছে।

এরপরই আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হলো, ২০২০ ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ পেছানোর কোনো কারণ নেই। যথা সময়েই টুর্নামেন্ট শুরু হবে। উয়েফা এ-ও জানিয়ে রাখলো এখনই কোনো প্রকার সিদ্ধান্ত নেবে না তারা। তবে সার্বিক পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে পরবর্তী নির্দেশনা দেবে উয়েফা।

সভা শেষে আজ উয়েফার গভর্নিং কাউন্সিলের এক সদস্য প্রচারমাধ্যমকে বলেছেন, ‘সূচিতে পরিবর্তন আনার কোনো কারণ নেই। উয়েফা আন্তর্জাতিক এবং স্থানীয় প্রতিনিধিদের সঙ্গে করোনাভাইরাস এবং পরিস্থিতির উন্নতি নিয়ে কথা বলছে; যোগাযোগ করছে। আমরা আত্মবিশ্বাসী ঠিক সময়েই আমরা টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে পারব।’

জনসাধারণ তো আছেই, তারকাদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস। বুধবার রাতে জুভেন্টাস জানিয়েছে, তাদের ইতালিয়ান ডিফেন্ডার এই সংক্রমণের শিকার হয়েছেন। ঝুঁকি এড়াতে দলটির প্রাণভোমরা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো স্বেচ্ছায় কোয়ারেন্টিনে চলে গেছেন আগামী দুই সপ্তাহের জন্য।