advertisement
আপনি দেখছেন

দুর্নীতি ও তদন্তে অসযোগিতার কারণে ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতা থেকে দুই বছরের নির্বাসন দেওয়া হয় ম্যানচেস্টার সিটিকে। সঙ্গে মোটা অংকের জরিমানা। উয়েফার প্রদত্ত শাস্তি মেনে নিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আদালতে আপিল করে পেপ গার্দিওলার দল। যার সুফল পেল সিটিজেনরা। তাদের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে দিয়েছে কোর্ট অব আর্বিট্রেশন ফর স্পোর্ট (সিএএস)।

jurgen klopp pep guardiola liverpool man city

সিটির বিরুদ্ধে ওঠা আর্থিক স্বচ্ছতার নীতি লঙ্ঘনের প্রমাণ পায়নি সিএএস। তবে তদন্ত চলাকালীন ভুল তথ্য দিয়ে উয়েফাকে বিভ্রান্ত করায় জরিমানা থেকে রেহাই পাচ্ছে না সিটি। এখানেও কিছুটা স্বস্তি আছে তাদের। উয়েফা তাদের জরিমানা করেছিল ৩০ মিলিয়ন পাউন্ড। সিএএস তা কমিয়ে ১০ মিলিয়ন পাউন্ড নির্ধারণ করে দিয়েছে।

যার অর্থ দাঁড়াচ্ছে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের পরবর্তী মৌসুমে খেলতে পারবে ম্যানচেস্টার সিটি। লিগ প্রতিদ্বন্দ্বীকে ইউরোপের মঞ্চে আবারো দেখতে পারার খবরে খুশি হয়েছেন লিভারপুলের প্রধান কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপ। তবে সিটির নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়াকে সামগ্রিক ফুটবলের ভালো দিক হিসেবে দেখছেন না জার্মান কোচ।

manchester city celebrate 2019 20

এনিয়ে আজ গণমাধ্যমকে লিভারপুল কোচ বলেছেন, ‘আমি এটা বিচার করার উপযুক্ত কেউ নই। জানি না এটার উত্তর দিতে পারব কিনা। এটা গুরুতর একটা বিষয়। আগামী মৌসুমে সিটি চ্যাম্পিয়নস লিগ খেলতে পারবে, ব্যক্তিগতভাবে আমি খুশি। কিন্তু সত্যি বলতে আমার মনে হয় না গতকাল (সিটির নিষেধাজ্ঞা ওঠার দিন) ফুটবলের জন্য ভালো দিন ছিল।’

কেন ফুটবলের জন্য দিনটা ভালো ছিল না সেটার ব্যাখ্যায় জার্মান কোচ বলেছেন, ‘এফএফপি (ফিনান্সিয়াল ফেয়ার প্লে) ভালো একটা ধারণা। দলগুলো এবং প্রতিযোগিতার ভারসাম্যের জন্য এটা ভালো একটা আইন। কেউ অতিরিক্ত অর্থ খরচ করতে পারবে না। কিন্তু ধনী ক্লাব এবং দেশ চাইলেই এটা করতে পারে। তখন আসলে সেটা কঠিন হয়ে যায়।’

ক্লপ আরো বলেছেন, ‘আমার পক্ষে এটা বিচার করা সম্ভব নয়। আমি তা করছিও না। আমি শুধু এফএফপি পদ্ধতিটা অনুসরণ করি এবং এর কঠোরতা আশা করি। যা ফুটবলের জন্য ভালো। যদি কেউ এটাকে তোয়াক্কা না করে তখন প্রতিযোগিতা করা কঠিন হয়ে পড়ে।’

sheikh mujib 2020