advertisement
আপনি দেখছেন

বিশ্বকাপে গোটা দুনিয়াকে চমকে দিয়েছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। ২০১৮ সালে ফ্রান্সের বিশ্বকাপ জয়ে তার অবদান অনেক। বাড়তি পুরস্কার হিসেবে বিশ্বকাপের উদীয়মান সেরা ফুটবলারের তকমা পেয়েছিলেন পিএসজি সুপারস্টার। এমবাপ্পের ক্যারিয়ারটা ভালোই চলছিল। তিন বছর পর ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে ছুরির অন্য পাশটাও দেখে ফেললেন এমবাপ্পে।

kylian mbappe france euro 2020 press conferenceকিলিয়ান এমবাপ্পে

গেল ২৮ জুন দুই গোলে এগিয়ে থেকেও সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে ৩-৩ ব্যবধানে থ্রিলার ড্র করে ফ্রান্স। নির্ধারিত সময়ের শেষ দিকে জোড়া গোল হজম করে ফরাসিরা। শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারে ৫-৪ গোলে হেরে যায় বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। রূপকথার জয়ে সুইসরা উঠে যায় ইউরোর কোয়ার্টার ফাইনালে। আর পেনাল্টি মিস করে খলনায়ক বনে যান এমবাপ্পে।

পিএসজি তারকার দুঃস্বপ্নের শুরু সেখান থেকেই। পেনাল্টি মিসের পর কেউ কেউ তাকে ‘বানর’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। এমনকি তাকে হত্যার হুমকি পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে। তাতে ক্ষুব্ধ, হতাশ, হতবিহ্বল এমবাপ্পে। ফ্রান্স দলে খেলাটাই তার জন্য এখন একটা সমস্যা হয়ে উঠেছে। ফ্রান্স দলও নাকি তাকে এখন সমস্যা মনে করছে! ইউরো শেষ হওয়ার প্রায় তিন মাস পর এভাবেই বোমা ফাটালেন ফরাসি ফরওয়ার্ড।

kylian mbappe france 2020ফরাসি ফরওয়ার্ড এমবাপ্পে

ফ্রান্সের বিখ্যাত সংবাদমাধ্যম এলইকুইপকে এক সাক্ষাৎকারে এমবাপ্পে বলেছেন, ‘ফ্রান্স জাতীয় দলে খেলার জন্য আমি কখনো এক ইউরোও নেইনি এবং আমি সবসময় বিনা পারিশ্রমিকে জাতীয় দলের জন্য খেলে যাবো। সর্বোপরি আমি কোনো সমস্যা চাইনি। কিন্তু এখন আমার কাছে এটা সমস্যা মনে হচ্ছে। মানুষের কাছ থেকে আমি বিভিন্ন বার্তা পাচ্ছি, তাতে আমার আত্মসম্মান হারাচ্ছে। যদি ফ্রান্স আমাকে ছাড়া ভালো থাকে তাহলে (আমি চলে যাবো)।’

এমবাপ্পে যোগ করেন, ‌‘আমি প্রেসিডেন্টের (নোয়েল লা গ্রায়েট) সঙ্গে দেখা করেছি এবং এটা নিয়ে কথা বলেছি। আমি তার কাছে অভিযোগ করেছিলাম, আমাকে অপমান করা হচ্ছে। পেনাল্টি মিসের জন্য আমাকে ‘বানর’ বলা হয়েছে। আমি কখনোই পেনাল্টি নেওয়ার জন্য উন্মুখ থাকি না। তাছাড়া যে কেউই পেনাল্টি মিস করতে পারে। পেনাল্টি মিস করার পর আমি আরো ভালো সমর্থন পেতে পারতাম। যা আমি পাইনি।’

এসবকিছু ভুলে এখন সামনে এগিয়ে যেতে চান এমবাপ্পে। তবে নিজের আন্তর্জাতিক ভবিষ্যৎ ছেড়ে দিয়েছেন ফরাসি ফুটবল কর্তাদের ওপর বলেছেন, ‘এটা এখন শেষ হয়ে গছে। আমি পেছনে ফেলে এসেছি। ফ্রান্স দলের জন্য আমার অনেক ভালোবাসা রয়েছে। তারা যদি মনে করে দলে আমার প্রয়োজনীয়তা আছে আমি থাকব। অন্যথায় (অবসরে) চলে যাবো।’