advertisement
আপনি পড়ছেন

শৈশবের ক্লাব বার্সেলোনা ছেড়ে প্যারিস সেন্ট জার্মেইতে (পিএসজি) নাম লিখিয়েছেন লিওনেল মেসি। তার প্যারিসে আসার পেছনে অনেক কারণই আছে। তন্মধ্যে অন্যতম- পিএসজির উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং শক্তিশালী স্কোয়াড। যা মেসিকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কাজটা সহজ করে দিয়েছে।

lionel messi psg 2021 22পিএসজির জার্সিতে লিওনেল মেসি

গতকাল সোমবার রাতে স্পোর্টে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে মেসি বলেছেন, ‘আমি পিএসজিতে আসার সিদ্ধান্তের অন্যতম কারণ ছিল তাদের শক্তিশালী স্কোয়াড, ক্লাব হিসেবে উত্থান এবং চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের তাড়না। কাতালুনিয়ার চেয়ে প্যারিস আলাদা। ওখানে (বার্সায়) থাকতে সবকিছু নাগালেই ছিল।’

আলাদা বলতে বাচ্চাদের স্কুল এবং পিএসজির অনুশীলন নিয়ে কিছুটা বিপাকে আছেন মেসি, যা তাকে কাতালুনিয়া শহরের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। মেসি বলছেন, ‘এখন আমি বাচ্চাদের স্কুল থেকে নেওয়ার পর অনুশীলনে যেতে পারছি না সময়ের সীমাবদ্ধতার কারণে। এটা (অনুশীলন কেন্দ্র এবং বাচ্চাদের স্কুল) খুব কাছাকাছি নয়।’

leo messi argentina paraguayদেশের জার্সিতে লিওনেল মেসি

বার্সেলোনায় মেসি, নেইমার জুনিয়র এবং লুইস সুয়ারেজ (এমএনএস) জুটি বিশ্বসেরা হয়ে উঠেছিল। তাদের কেউই এখন বার্সায় নেই। সর্বপ্রথম জুটি ভেঙে নেইমার চলে এসেছেন পিএসজিতে। এরপর সুয়ারেজকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদে। সর্বশেষ মেসি যোগ দিয়েছেন ফরাসি ক্লাবটিতে।

এখানে মেসি, নেইমারের সঙ্গে আছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে (এমএনএম)। প্যারিসেও বার্সার মতো ভয়ঙ্কর ত্রিফলা দেখার আশায় ছিলেন ভক্তরা। কিন্তু প্রত্যাশার ছিটেফোটাও মিলছে না। দুই সময়ের দুই জুটির সঙ্গে তুলনাও করা হচ্ছে। এই তুলনা পছন্দ হচ্ছে না মেসির। কেন পছন্দ হচ্ছে না এর ব্যাখ্যাও দিয়েছেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক।

স্পোর্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মেসি বলেছেন, ‘আমার মনে হয় না, আপনি এটার (এমএনএম এবং এমএসএন) তুলনা করতে পারেন। কারণ প্রত্যেকেই আলাদা খেলোয়াড়। লুইস সুয়ারেজ ব্যতিক্রমী এবং নয় নম্বরের (স্ট্রাইকিং পজিশন) খেলোয়াড়। এমবাপ্পের পজিশন বৈশিষ্ট্য আলাদা। লুইস প্রকৃত স্ট্রাইকার। এমবাপ্পে খেলায় থাকবে এবং আপনাকে ধংস করতে ফাঁকা জায়গা খুঁজে নেবে।’

মেসি যোগ করেন, ‘নেইমারের সঙ্গে আমার ভালো সম্পর্ক আছে। যখন আমরা একসঙ্গে খেলিনি, তখনও আমাদের যোগাযোগ ছিল। এমবাপ্পেকে নিয়ে একটা অস্থিরতার মধ্যে ছিলাম, আমরা জানতাম না, সে থাকবে না চলে যাবে। এখন আমরা পরস্পরকে জানতে পারছি। মাঠে ও মাঠের বাইরে বুঝতে পারছি এবং পরষ্পরকে কাছ থেকে দেখছি। আমাদের ড্রেসিংরুমটার আবহ এখন চমৎকার।’