advertisement
আপনি পড়ছেন

গত ২৯ নভেম্বর প্যারিসের থিয়েটার ডু চ্যাটিলেডে বায়ার্ন মিউনিখ সুপারস্টার রবার্তো লেভানডফস্কিকে পেছনে ফেলে ক্যারিয়ারে সপ্তম ব্যালন ডি’অর জেতেন লিওনেল মেসি। ফ্রান্স ফুটবল ম্যাগাজিনের জনপ্রিয় পুরস্কার জেতার পর দুঃসংবাদ পেয়েছেন ৩৪ বছর বয়সী তারকা। তার হোটেল ভাঙার নির্দেশ দিয়েছে স্পেনের একটি আদালত।

messis hotelনিয়ম মেনে নির্মাণ করা হয়নি মেসির হোটেল মিম সিটগেস

সেই শৈশবে পাড়ি জমিয়ে দীর্ঘ ২১ বছর স্পেনে কাটিয়েছেন মেসি। সেই সুবাদে সেখানে গড়েছেন অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। তার আয়ের সিংহভাগ আসে হোটেল থেকে। যেগুলোর মধ্যে অন্যতম ‘মিম সিটগেস’। এর অবস্থান বার্সেলোনা শহর থেকে ২৬ কিলোমিটার দূরে। জানা গেছে, হোটেলটি তৈরিতে শহরের নির্মাণ আইন অনুসরণ করা হয়নি।

স্পেনের বাড়ি থেকে কাছাকাছি হওয়ায় প্রায়ই হোটেল মিম সিটগেসে বেড়াতে যেতেন মেসি। ২০১৭ সালে ম্যাজেস্টিক গ্রুপ নামের একটি রিয়েল এস্টেট কোম্পানি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১০০ ফুট দূরে ৭০০ রুম বিশিষ্ট হোটেলটি নির্মাণ করে। এজন্য সবশেষ কোপা আমেরিকার সেরা খেলোয়াড়ের খরচ হয়েছিল ২৬ মিলিয়ন পাউন্ড বা ৩০০ কোটি টাকা।

ম্যাজেস্টিক গ্রুপ নির্মিত আরও দুটি হোটেলের মালিক মেসি। একটি ইবিজা দ্বীপে। অন্যটি মায়োর্কায়। এই হোটেল দুটির নির্মাণ নিয়ে কোনো অনিয়ম পায়নি আদালত। এক প্রতিবেদনে দ্য সান জানিয়েছে, মিম সিটগেস নির্মাণে অনিয়ম হলেও মেসি কিংবা ম্যাজেস্টিক গ্রুপ সে বিষয়ে আগে কিছুই জানতেন না।

জানা গেছে, মিম সিটগেস হোটেলের বারান্দাগুলো শহরের কোডের তুলনায় বড়। যেগুলো ভেঙে ফেরা হলে পুরো বিল্ডিংটা ধ্বসে পড়ার সম্ভাবনা আছে। এছাড়াও হোটলেটির অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থাও পরিকল্পনা অনুসারে করা হয়নি। দ্য সানের দাবি, ৭৭ শয্যার হোটলেটি ভাঙার নির্দেশ দেওয়া হলেও আপাতত এটা মুলতবি করেছে আদালত।