advertisement
আপনি পড়ছেন

এই মৌসুম শেষে প্যারিস সেন্ট জার্মেই বা পিএসজির সঙ্গে শেষ হবে কিলিয়ান এমবাপ্পের বর্তমান চুক্তি। এরপর স্বপ্নের ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদে পাড়ি জমাতে পারেন ফরাসি সেনসেশন। তাকে আটকাতে সম্ভাব্য সবরকম চেষ্টাই করছে প্যারিসিয়ানরা। এনিয়ে জল্পনা-কল্পনা বৃহস্পতির তুঙ্গে। এই নাটকীয়তায় যোগ দিয়েছেন ফ্রান্স ও কাতারের রাষ্ট্রপ্রধান।

french president emmanuel macron kylian mbappe২০১৮ বিশ্বকাপে এমবাপ্পেকে জড়িয়ে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ, পাশেই রুশি প্রেসিডেন্ট পুতিন

ফরাসি প্রচারমাধ্যমেগুলোয় খবর বেরিয়েছে, পিএসজির সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করতে এমবাপ্পেকে অনুরোধ জানিয়েছেন কাতারের আমির তামিম বিন হামাদ আল সানি। তা তিনি করতেই পারেন। কারণ পিএসজি কাতারি মালিকানাধীন। তাই বলে খোদ ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ! তারও চাওয়া, এমবাপ্পে যেন ফরাসি ফুটবলেই থেকে যান। বিখ্যাত সাংবাদিক রোমাইন মলিনা এমনটিই দাবি করছেন।

এমবাপ্পেকে ধরে রাখতে সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক দিতে রাজি আছে পিএসজি। অংকটা সপ্তাহে ১০ লাখ ইউরো। প্রয়োজনে ক্লাবের নেতৃত্বও তার কাঁধে তুলে দিতে চায় প্যারিসিয়ানরা। তাকে ঘিরেই সামনের কয়েক মৌসুমের পরিকল্পনা করছে ফরাসি জায়ান্টরা। তাদের পরিকল্পনা সফল করতে এগিয়ে এলেন মাখোঁ। নির্বাচনী কাজে ব্যস্ত থাকলেও এমবাপ্পে দিকে নজর রাখছেন তিনি।

পিএসজির সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করতে এই মৌসুমের শুরু থেকেই গড়িমসি করছেন এমবাপ্পে। এই সুযোগটা নাকি নিতে চাচ্ছে রিয়াল মাদ্রিদ। তাকে দলে টানতে দুশো মিলিয়ন ইউরো বরাদ্দ রেখেছে স্প্যানিশ ক্লাবটি। এই ক্লাবে যাওয়ার স্বপ্নটা এমবাপ্পের সেই ছোট বেলার। এবার সুযোগ এসেছে শৈশবের স্বপ্নপূরণের। তাকে পেতে রিয়াল মাদ্রিদও আশায় বুঁদ হয়ে আছে।

এমবাপ্পে একবার মুখ ফসকে বলেও ফেলেছিলেন সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে যাওয়ার কথা। রিয়াল সমর্থকরাও তাই আশায় বুক বেঁধেছেন। তাদের কিছুটা হলেও হতাশ করবে এমবাপ্পের একটা কথা। দুদিন আগে পিএসজিতে থেকে যাওয়া নিয়ে প্রশ্ন করতে ফরাসি তারকা বলেছেন, '(পিএসজিতে থাকা) অবশ্যই সম্ভব।' একটু পরই অবশ্য সুরটা কেটে গেছে।

এমবাপ্পের মুখ থেকে বের হওয়া দুটি শব্দে সবাই যেন কিঞ্চিত হোঁচট খেয়েছেন। এরপরই পুরনো কথাটা নতুন করে বললেন তিনি, 'এখনো সিদ্ধান্ত নিইনি। ভাবছি। নতুন অনেক বিষয় নিয়ে ভাবতে হবে। আমি ভুল করতে চাই না। পরিবারের সঙ্গে কথা বলব। আশা করছি, সঠিক সিদ্ধান্তটাই নেব।’ এমবাপ্পের সিদ্ধান্ত কী হবে? রিয়ালে যাওয়ার স্বপ্ন দেখা এমবাপ্পে হঠাৎ করে কেনই বা দ্বিধায় পড়ে গেলেন সিদ্ধান্ত নিতে? ঠিক কী চলছে তার মনে? সব উত্তর মিলে যাবে দুই মাসের মধ্যেই।