advertisement
আপনি পড়ছেন

হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ রাইন্স প্রিবাস জানিয়েছেন, যে ছয়টি দেশকে নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রাখা হয়েছে সেগুলো ছাড়াও আরও কয়েকটি দেশকে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে।

anti trump unrest on oath day

এদিকে সিরিয়া, সুদান, ইরান, সোমালিয়া, লিবিয়া ও ইয়েমেন এই ছয়টি দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারির নির্বাহী আদেশের পর সারা বিশ্ব জুড়ে সমালোচনা শুরু হয়। খোদ আমেরিকাতেই মানবাধিকার ও নাগরিক অধিকার সংগঠনগুলো ব্যাপক বিক্ষোভ দেখায়।

এর আগে মুসলিম দেশগুলোর শরণার্থীদের যুক্তরাষ্ট্র প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্পের ওই আদেশে বলা হয়, মুসলিম দেশগুলো থেকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করা শরণার্থী এবং অভিবাসীদের সংখ্যা সীমিত করা হবে।

এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় ইরাক, ইরান, সুদান, লিবিয়া, সোমালিয়া, সিরিয়া এবং ইয়েমেনের শরণার্থী এবং অভিবাসীরা যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পাওয়ার সুযোগ হারিয়েছেন। এছাড়া ইরাক, ইরান ও সিরিয়াসহ মধ্যপ্রাচ্যের সাতটি দেশ এবং আফ্রিকার দেশগুলোর নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে।

প্রিবাস জানান, পাকিস্তান ও অন্যান্য দেশগুলো যেগুলো সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালায় তাদের নামও এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে। তবে আপাতত পৃথিবীর অন্যান্য দেশ থেকে আসা মানুষদেরকে আরও যাচাই ও নিরীক্ষার মাধ্যমে আমেরিকায় ঢুকতে দিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।