advertisement
আপনি পড়ছেন

আদালতের স্থগিতাদেশের ফলে ‘নিষিদ্ধ’ সাত মুসলিম প্রধান দেশের নাগরিকরা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের যে সুযোগ পাচ্ছিলেন তার বিরুদ্ধে আপিল করেছে ট্রাম্প প্রশাসন।

donald trump while giving first speech as president

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমতা বুঝিয়ে নেওয়ার সপ্তাহ না ঘুরতেই সাত মুসলিম দেশের নাগরিককে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিষিদ্ধের আদেশ জারি করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত শুক্রবার ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের ফেডারেল বিচারক জেমস রবার্ট ট্রাম্প প্রশাসনের এই নিষেধাজ্ঞা সিদ্ধান্ত আপাতত স্থাগিত রাখার আদেশ দেন।

তারপরই নিজের টুইট বার্তায় আদালতের স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ঝেড়েছিলেন ট্রাম্প। এবার আপিলই করে বসলেন।

বিসিবির এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, স্থানীয় সময় শনিবার আদালদের ওই স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করেছে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ। এই আপিলকারীদের মধ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্প ছাড়াও হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মন্ত্রী জন কেরি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসনও সামিল হয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রকে নিরাপদ রাখতে ওই সাত দেশের নাগরিকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে উল্লেখ করা হয়েছে আপিলে।

এদিকে, প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই এক নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। যাতে সাত মুসলিম প্রধান দেশের নাগরিককে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়। এর মধ্যে সিরিয়ার নাগরিকদের উপর অনির্দিষ্টকালের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। আর ইরান, ইরাক, লিবিয়া, সোমালয়া ও সুদানের নাগরিকদের তিন মাসের জন্য আমেরিকায় প্রবেশে নিষিদ্ধ করা হয়।

এ ছাড়া সব ধরনের শরণার্থীদের ১২০ দিনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। ট্রাম্প প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই সমালোচনার ঝড় বইছে বিশ্বে।