advertisement
আপনি দেখছেন

প্রাকৃতিক দুর্যোগে সচরাচর ধ্বংস-বিনাশ ডেকে আনলেও সম্প্রতি গত বছরের নভেম্বরে ঘটে যাওয়া ভূমিকম্পে নিউজিল্যান্ডের অনেক অপ্রত্যাশিত উপকার হয়েছে। ভূমিকম্পের ফলে সমুদ্র উপকূলীয় এলাকা রক্ষা খাতে লক্ষ লক্ষ ডলার সাশ্রয় হয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের।

new zealand earthquake gives unexpected benefit

২০১৬ সালের নভেম্বরে ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্পে নিউজিল্যান্ডের দক্ষিন দ্বীপের কাইকৌরাতে দুজন মানুষ মারা গিয়েছিল। তথাপি, কাইকৌরা এলাকার স্থানীয় কাউন্সিলর এর মতে, ভূমিকম্পের ফলে উপকূলীয় এলাকায় প্রায় ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত ভূমি ৩ থেকে ২৬ ফুট পর্যন্ত উচু হয়ে গেছে। যার ফলে সামুদ্রিক ক্ষয়ের হাত থেকে স্থানীয় অবকাঠামোগুলো রক্ষা পেল।

স্থানীয় মেয়র উইনস্টন গ্রে বলেন, ‘কাউন্সিলটি উপকূলীয় ক্ষয়ক্ষতির ইস্যুতে লক্ষ লক্ষ ডলার বাজেটের আশা করেছিল, যা দক্ষিণ দ্বীপের পূর্ব উপকূলে শহরগুলির জন্য একটি প্রধান উদ্বেগ ছিল।' এখন ভূ-উত্তোলনের ফলে সাময়িকভাবে এই সমস্যাটি থেকে মুক্তি পাওয়া গেছে। তবে সেটা কতদিন আমরা জানি না।‘

পরিবেশ বিজ্ঞানীরা বলছেন যে, তারা এখনও উপকূলীয় সমস্যা নিয়ে তথ্য সংগ্রহ করছে এবং অধ্যয়ন করছে। তবে পুনর্বাসন কাজ এখনও চলমান ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্থ সড়ক, ব্যবসা এবং বাড়িঘর মেরামতে প্রায় ৪৯৩ মিলিয়ন ডলার খরচ হবে।

তবে নতুন উত্থিত উপকূলভূমি নিয়ে সবাই উচ্ছ্বসিত হতে পারছেন না। শহরের সমুদ্রমূখী অংশকে মুহূর্তের মধ্যে আট মিটারের মতো নাটকীয়ভাবে ভূ-উত্তোলন হতে দেখা ওয়াইপপা খাড়িতে বসবাসকারী একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ‘চমৎকার সমুদ্র সৈকতটি এখন আমার চক্ষুশূল মনে হয়। এটি দেখতে কুৎসিত, সাদা এবং দুর্গন্ধযুক্ত।‘ স্থানীয় একটি সংবাদ মাধ্যমকে তিনি জানায়, এইসব শিলা পুকুরগুলি কর্দমাক্ত, সবুজ শ্যাওলায় ভরা আর ভয়ানক মশার আড্ডাখানা।‘