advertisement
আপনি দেখছেন

স্থানীয় সময় রোববার ফ্রান্সে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হবে। ইতোমধ্যেই দেশটিতে নির্বাচনের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে। এবারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হয়েছেন ১১ জন। নির্বাচনের ভবিষ্যদ্বাণীতে বলা হচ্ছে, এই ১১ জন প্রার্থীর মধ্যেই জোর প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে।

france president election

নির্বাচনী এই ডামাডোলের মাঝেই মাত্র তিনদিন আগেই রাজধানী প্যারিসের চ্যাম্প এলিসিতে একটি সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। ওই হামলায় এক বন্দুকধারীর গুলিতে এক পুলিশ সদস্যের মৃত্যু হয়। ওই হামলার দায় স্বীকার করে জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস)।

সন্ত্রাসী হামলার পরপরই পুরো ফ্রান্স জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিলো। তবে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রায় ৫০ হাজার পুলিশ এবং ৭ হাজার সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিরাপত্তা জোরদারের মাধ্যমে জনগণের মাঝে আবারও স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে।

নির্বাচনী প্রেসিডেন্ট প্রার্থীদের প্রায় সবাইই এই হামলাকে রাজনৈতক অস্থিরতা সৃষ্টির অপপ্রয়াস বলে অভিহিত করেছেন। এই হামলার সুবিধাভোগী বলে তারা একে অন্যের দিকে সন্দেহের তীর ছুঁড়ছেন।

এবারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মোট ১১ জন প্রার্থীর মধ্যে নির্বাচনী প্রচারণায় এগিয়ে আছেন চারজন প্রার্থী। তারা হলেন ডানপন্থী নেতা মেরিন লে পেন, উদার মধ্যপন্থী এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ, রক্ষণশীল দলের ফ্রাঁসোয়া ফিলোঁ ও কট্টর বামপন্থী প্রার্থী জঁ-লাক মেলেঁশঁ। নির্বাচনে শেষ সময়ের যুদ্ধ হলে এই চারজনের মধ্যেই হবে বলে ধারনা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আগামী ৭ মে নির্বাচনের দ্বিতীয় পর্যায় অনুষ্ঠিত হবে। যিনি সবচেয়ে বেশি ভোট পাবেন তিনি দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট ফ্রাসোঁয়া ওঁলাদের কাছে থেকে দায়িত্ব বুঝে নেবেন। বর্তমান প্রেসিডেন্ট ফ্রাসোঁয়া ওঁলাদ সুযোগ থাকা সত্ত্বেও দ্বিতীয় বার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নেননি। বর্তমানে ফ্রান্সে তার জনপ্রিয়তা প্রায় শূন্যের কোঠায়।