advertisement
আপনি দেখছেন

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ. কেনেডি হত্যাকাণ্ডের রহস্য নিয়ে মিথ্যাচার করা হয়েছিলো। সম্প্রতি প্রকাশিত সিআইএ’র একটি গোপন রিপোর্ট থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

jhon f kennedy

রিপোর্টে বলা হয়, কেনেডি হত্যাকাণ্ডের রহস্য নিয়ে তদন্তের দায়িত্বে ছিলো ওয়ারেন কমিশন। পূর্ণ তদন্তের পর কমিশন তাদের তথ্য জমা দেয়। কিন্তু তৎকালীন সিআইএ’র পরিচালক জন ম্যাককোন সেই তথ্য আটকে দেন। এবং সেই তথ্য ধামাচাপা দিয়েছিলেন।

তথ্য লুকানোর কারণ হিসেবে গোপন ওই রিপোর্টে বলা হয়, সিআইএ কেনেডির ঘাতক লি হার্ভি ওসওয়াল্ডকে এককভাবে দোষী প্রমাণ করতে চেয়েছিল। এর পিছনে অন্য কেউ ছিলো না তা প্রমাণ করতে ওঠে-পড়ে লেগেছিলো সিআইএ।

শেষে ১৯৬৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রকাশিত কমিশনের চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদনও বিকৃত করে উপস্থাপন করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, ওসওয়াল্ড একাই কেনেডি হত্যার গোটা পরিকল্পনা করেন। তাঁর সাথে অন্য কেউ ছিলো না।

পরবর্তীতে বহু ইতিহাসবিদ ও গবেষক এই মত দিয়েছেন যে, কেনেডি হত্যার পিছনে অনেক বড় একটি মহল জড়িত ছিলো এবং কেনেডি গভীর ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে নিহত হয়েছিলেন। ধারণা করা হয়, এই হত্যাকাণ্ডের পিছনে ইসরাইলের হাত থাকার সম্ভাবনা প্রবল।

উল্লেখ্য, প্রেসিডেন্ট জন এফ. কেনেডি ইসরাইলের পরমাণু অস্ত্র কর্মসূচির বিরোধী ছিলেন। তিনি ইসরাইলের দিমুনা পরমাণু স্থাপনা আন্তর্জাতিক এটমিক এনার্জি’র পরিদর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়ার পক্ষপাতী ছিলেন। আর এই কারণেই তেলআবিব তাঁর ওপর ক্ষুব্ধ হয় এবং এর ফলশ্রুতিতেতাকে হত্যা করা হয় বলে অনেকে মনে করেন।

 

আপনি আরও পড়তে পারেন

ফিলিস্তিনে পাঠানো ভারতীয় উপহার আটকে দিয়েছে ইসরাইল

স্মার্টফোন ব্যবসায় নামছে পেপসি

প্রতিবেদন: প্রতিবছর না খেয়ে মারা যায় ৩১ লাখ শিশু