advertisement
আপনি দেখছেন

শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে ইংরেজি মাধ্যম বাদ দেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে যাচ্ছে আফ্রিকা অঞ্চলের অন্যতম দেশ ঘানা। দেশটির শিক্ষামন্ত্রী অধ্যাপক জেইন নানা অপোকু এগিম্যাং সম্প্রতি দৃঢ়ভাবেই জানিয়েছেন এই ঘোষণা। শিক্ষামন্ত্রীর এমন সিদ্ধান্তের পিছনে দেশটির মাতৃভাষা শিক্ষার উপর গুরুত্ব বাড়ানোর বিষয়টি রয়েছে বলে খবর প্রকাশ করেছে দেশটির প্রধান প্রধান গণমাধ্যম।

ghana education

বেশ কয়েক মাস আগে থেকেই দেশটি থেকে ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষাকে অপসারনের চেষ্টা চলে আসছে। বিষয়টি নিয়ে সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে আলোচনাও চলে আসছিল। এবার সেই আলোচনাই পাকাপোক্ত আইন হয়ে আসছে পশ্চিম আফ্রিকার এ দেশটিতে।

ইংরেজি শিক্ষাকে বাদ দেয়ার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী জেইন নানা অপোকু এগিম্যাং জানান, 'আমরা দীর্ঘ দিন ধরেই দেখে আসছি দেশে প্রচলিত ইংরেজি শিক্ষামাধ্যম শুধু উচ্চ শ্রেণির মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ। নিম্ন আয়ের মানুষেরর এই শিক্ষা মাধ্যমের ধারে কাছেও যেতে পারছে না। ফলে আমরা জাতি গঠনের ক্ষেত্রে বিভাজন তৈরি করে দিচ্ছি। এই পরিপ্রেক্ষিতেই এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঘানা সরকার।'

মন্ত্রী আরো বলেন, 'আমি আগে থেকেই ইংরেজি মাধ্যম শিক্ষাব্যবস্থা থাকার পক্ষে ছিলাম না, এখনো নেই। তাই ইংরেজি মাধ্যমকে শিক্ষাব্যবস্থা থেকে বাদ দেওয়ার ব্যাপারে আমি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ রয়েছি। আমরা যদি এটা করতে পারি তাহলে পুরো ঘানার চেহারাও দ্রুত পাল্টে যাবে। স্কুল কলেজের ছাত্রছাত্রীরা তাদের মাতৃভাষার সঠিক চর্চার ক্ষেত্রে আরও উৎসাহী হবে। আমার মনে হয় নিজ ভাষায় শিক্ষা গ্রহণের চেয়ে গর্বের বিষয় আর কিছুই হতে পারে না।'

উল্লেখ্য, আফ্রিকার রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে শিক্ষাব্যবস্থা থেকে ইংরেজি মাধ্যমকে বাদ দেয়ার ক্ষেত্রে ঘানাই প্রথম নয়। এর আগে এই মহাদেশের আরেক দেশ তানজানিয়ার শিক্ষাব্যবস্থা থেকেও বাদ দেয়া হয়েছে ইংরেজি মাধ্যমের লেখাপড়া।

 

আপনি আরো পড়তে পারেন 

সৌদিতে নতুন শ্রম আইন: শ্রমিকের কাছেই থাকবে পাসপোর্ট

ঝটিকা সফরে মস্কো গেলেন প্রেসিডেন্ট আসাদ

যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে চলে যাচ্ছে সেই আহমেদ

 

sheikh mujib 2020