advertisement
আপনি দেখছেন

ইরাক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে আলোচনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরাকি প্রেসিডেন্ট বাহরাম সালিহ। সেনা প্রত্যাহার নিয়ে ইরাক ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে টানাপোড়েনের মধ্যেই নতুন এ অগ্রগতির খবর এলো।

bahram saleh donald trump

বিবিসিসহ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ট্রাম্প ও সালিহ সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের সম্মেলনের অবকাশে এক বৈঠকে মিলিত হন। সেখানে ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে আলোচনা করেন তারা।

বৈঠকের পর ইরাকের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের খুব ভালো সর্ম্পক রয়েছে উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, দেশটি থেকে আমরা খুব কম সংখ্যক সেনা প্রত্যাহার করব। সেখানে ৫ হাজার সেনা রাখা হবে। এটি ঐতিহাসিকভাবেই কম, দেখা যাক কি হয়।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরাকের মধ্যে বহু অভিন্ন স্বার্থ রয়েছে জানিয়ে সালিহ বলেন, আমারা উগ্রবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করছি, প্রতিবেশী দেশগুলোর স্থিতিশীলতার প্রতি খেয়াল রাখছি এবং ইরাকের সার্বভৌমত্ব নিয়ে কাজ করছি। সেইসঙ্গে প্রতিবেশীদের বন্ধু এবং যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের স্বার্থও দেখতে হচ্ছে।

us troops in iraq

ইরাকি গণমাধ্যম জানায়, ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে সালিহ ইরাকি সার্বভৌমত্বের জন্য দেশের জনগণের দাবির বিষয়টি তুলে ধরে তার প্রতি যুক্তরাষ্ট্রকে সম্মান দেখানোর আহ্বান জানান। এ নিয়েও দু নেতার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়।

এর আগে চলতি বছরের গত ৫ জানুয়ারি ইরাক থেকে মার্কিন সেনা বহিষ্কার সংক্রান্ত একটি বিল দেশটির জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়। এ নিয়ে উভয় দেশের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা দেখা দেয়, হুমকি-পাল্টা হুমকিও আসে। এর মধ্যেই বাগদাগের মার্কিন দূতাবাস এলাকায় কযেক দফায় একের পর এক রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটে।

প্রসঙ্গত, গত ৩ জানুয়ারি ইরানের প্রভাবশালী কমান্ডার জেনারেল কাশেম সোলায়মানিকে ইরাকের বাগদাদের একটি বিমানবন্দরের কাছে ড্রোন হামলা চালিয়ে হত্যা করে মার্কিন বাহিনী। এর বদলা নিতে ৮ জানুয়ারি ইরাকে থাকা দুটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে দু দফায় অন্তত ২২টি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী।