advertisement
আপনি দেখছেন

ধর্মীয় ব্যাপারে সরকারের পক্ষ থেকে যেন কোনো হস্তক্ষেপ না করা হয়- সেজন্য বাংলাদেশকে চাপ দিতে ট্রাম্প প্রশাসনকে আহ্বান জানিয়েছেন প্রভাবশালী মার্কিন সিনেটর চাক গ্রাসলি। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের চতুর্থ শীর্ষ ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। সাতবার সিনেটর নির্বাচিত হওয়া গ্রাসলির অবস্থান প্রেসিডেন্ট, ভাইস-প্রেসিডেন্ট এবং প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকারের পরই।

us senator grasli

সম্প্রতি এক লিখিত বিবৃতিতে তিনি বলেন, রাশিয়া, বাংলাদেশ ও সুদানের মতো দেশের নাগরিকরা তাদের ধর্মীয় বিশ্বাসের জন্য নিপীড়নের মুখোমুখি হচ্ছে। কর্তৃত্ববাদী শাসন ও ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে নির্যাতনের মুখে থাকা এইসব ব্যক্তিদের সহায়তা করা যুক্তরাষ্ট্রের কর্তব্য।

বিবৃতিতে চীন, উত্তর কোরিয়া ও পাকিস্তানের নাম উল্লেখ করে প্রভাবশালী এই মার্কিন সিনেটর বলেন, দেশ তিনটিতে সংখ্যালঘু ধর্মালম্বীদের তাদের ধর্ম পালনের অধিকারে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়ে থাকে। ফলে সেখানে ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা ও বৈষম্য আরো বেড়ে গেছে।

এর আগে ২০১২ সালে বিশ্বের নয়টি দেশকে ধর্মীয় স্বাধীনতার ব্যাপারে ‘বিশেষ উদ্বেগের দেশ’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। সেই তালিকায় বাংলাদেশের নাম ছিল না। পরে এমন ঘটনা সহ্যকারী দেশগুলোর ব্যাপারে আরো একটি তালিকা করা হয়। সেখানেও বাংলাদেশের নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল না।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা সম্পর্কিত মার্কিন কমিশন ভারতসহ আরো কয়েকটি দেশকে ‘বিশেষ উদ্বেগের দেশ’ হিসেবে টায়ার-২ তালিকাভুক্ত করতে পররাষ্ট্র দপ্তরকে সুপারিশ করেছিল। এছাড়া পাকিস্তানকে টায়ার-১ তালিকাভুক্ত করতে বলা হয়।