advertisement
আপনি দেখছেন

নভেল করোনাভাইরাসের আক্রমণে স্তব্ধ পুরো বিশ্ব। ইরানের অবস্থাও বেশ শোচনীয়। যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কারণে পরিস্থিতি সামাল দিতে বেশ হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের। এমন দুর্বিষহ পরিস্থিতির মধ্যে অন্য দেশ থেকে ইরানের পাওনা অর্থ ও চিকিৎসা সামগ্রী আমদানিতেও মার্কিনিরা বাধা দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন দেশটির সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী শামখানি।

ali shamkhani secretary of iran highest security council

এক টুইটে তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে এখানকার মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। এর থেকে পরিত্রাণে সরকার যেসব পদক্ষেপ নিচ্ছে তাতে বাধা সৃষ্টি করছে যুক্তরাষ্ট্র। এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মানবতা বিরোধী অপরাধ করছেন।

তিনি আরো বলেন, চিকিৎসার কাজে লাগে এমন সামগ্রীই আনতে চাচ্ছে ইরান। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র এতে বাধা দিচ্ছে। চিকিৎসা সরঞ্জামের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এ কাজ করে তারা প্রমাণ করেছে ইরানিদের প্রতি তাদের কোনো সমবেদনা নেই।

আলী শামখানি বলেন, ইরানের কিছু অর্থ অন্যান্য দেশে পড়ে আছে। সেসব অর্থ ফিরিয়ে এনে সরকার চাইছে কিছু চিকিৎসা সরঞ্জামাদি কিনতে। এতে এখানে করোনাভাইরাসের মোকাবেলা কিছুটা হলেও সহজ হবে। মার্কিনিদের এতেও সমস্যা। তারা ইরানকে সেসব অর্থ ফেরত আনতে দিচ্ছে না। এছাড়া তারা আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল থেকেও আমাদের বঞ্চিত করেছে। মানবতা বিরোধী আচরণের প্রকৃত উদাহরণ এটি।

আরব নিউজের বরাতে জানা য়ায়, ইরানে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ার পর থেকে তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পরিবর্তে আরো কঠোর হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

ইরানে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন ৫৮ হাজার ২২৬ জন। মৃত্যু হয়েছে তিন হাজার ৬০৩ জনের।