advertisement
আপনি দেখছেন

কোনো দেশে সংক্রমণের সংখ্যা লাখ ছুঁলেই যেখানে পরিস্থিতিকে ভয়ানকভাবে দেখা হয় সেখানে যুক্তরাষ্টে মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়ে গেছে লাখের কোটা। আর আক্রান্তের সংখ্যার কথা তো বলাই বাহুল্য, দেশটির ১৭ লাখ ২৫ হাজার ২৮০ জনের শরীরে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাস শনাক্ত করা হয়েছে।

usa update 20april

দেশটিতে প্রথমবারের মতো কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত করা হয়েছিল ১৫ জানুয়ারী, যদিও ফেব্রুয়ারির ১৫ তারিখ পর্যন্ত অর্থাৎ প্রথম ১ মাসে সেখানে আক্রান্ত হয়েছেন মাত্র ১৫ জন। এমনকি মার্চ মাসের প্রথম দিন সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল মাত্র ৭৫। ওইদিনই করোনার সংক্রমণে প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে দেশটিতে। তারপরই বিদ্যুৎ গতিতে ছড়িয়ে পড়েছিল এই মহামারি।

আশার কথা হল, গত কয়েকদিনে যুক্তরাষ্ট্রের পরিস্থিতি উন্নতির দিকে। প্রতি ২৪ ঘণ্টায় যেখানে ২ হাজার মানুষের মৃত্যু ছিল প্রায় স্বাভাবিক ঘটনা, সেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুবরণ করেছেন ৭৭৪ জন। এর আগের দিন অর্থাৎ ২৫ মে সেখানে মারা যান মাত্র ৫০৫ জন। ২৪ মে ৬১৭ জন। ২৩ মে মৃত্যু হয়েছিল ১ হাজার ৩৩ জনের। ২২ মে প্রাণহানি ঘটেছে ১ হাজার ২৯৩ জনের। ২১ মে ১ হাজার ৪২৮ জন। এভাবে মৃতের সংখ্যা কমে আসছে প্রতিদিন।

world update 9may

ওয়ার্ল্ডওমিটারের পরিসংখ্যান ঘেঁটে দেখা যায়, আক্রান্তের সংখ্যাও এভাবে নিচের দিকে নামছে। গতকাল নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ১৯ হাজার ৪৯ জন। এর আগের দিন অর্থাৎ ২৫ মে আক্রান্ত হয়েছিল ১৯ হাজার ৭৯০ জন। ২৪ মে ১৯ হাজার ৬০৮ জন। ২৩ মে আক্রান্ত হয়েছিল ২১ হাজার ৯২৯ জন। ২২ মে শনাক্ত হয়েছিল ২৪ হাজার ২ জন। ২১ মে ২৮ হাজার ১৭৫ জন।

তবে আক্রান্ত এবং মৃতের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রে আরোগ্য লাভের হার খুব কম। দেশটিতে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪ লাখ ৭৯ হাজার ৯৭০ জন। অন্যদিকে করোনায় আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অবস্থায় মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন ১৭ হাজার ১৫৮ জন। তাই মৃতের সংখ্যা আরো বহুদূর যাবে যুক্তরাষ্ট্রে, এমনটাই শঙ্কা দেশটির চিকিৎসকদের।

sheikh mujib 2020