advertisement
আপনি দেখছেন

মুসলিম বিশ্বে অন্যতম জনপ্রিয় একটি স্থাপত্য হাজিয়া সোফিয়া। তুরস্কে অবস্থিত এই স্থাপত্য গীর্জা, মসজিদ, জাদুঘর হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এখন তুর্কি আদালতে সিদ্ধান্ত হবে এই স্থাপত্য জাদুঘর হিসেবে থাকবে নাকি মসজিদ হবে। আগামী ১৭ জুলাই জানা যাবে হাজিয়া সোফিয়ার ভবিষ্যৎ।

hagia sofiaহাজিয়া সোফিয়া

ফাইভ পিলারের বরাতে জানা যায়, গত ২ জুলাই তুরস্কের সর্বোচ্চ আদালতে এ বিষয়ক শুনানি হয়েছে। এরপর আগামী ১৭ জুলাই আদালত থেকে হাজিয়া সোফিয়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে রায় হবে।

১৯৩৪ সালে এই স্থাপত্যটি মসজিদ থেকে জাদুঘরে রূপান্তর করা হয়। সম্প্রতি একে ফের মসজিদে রূপান্তরের কথা জানায় তুর্কি সরকার। তার পরই আদালতে মামলা করে ঐতিহাসিক এই স্থাপত্য রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা এনজিও।

hagia sofia01হাজিয়া সোফিয়া

৫৬৭ সালে বাইজেন্টাইন সম্রাট জাস্টেনিয়ান এর নির্মাণ করেছিলেন। সে সময় এটি খ্রিস্টানদের চার্চ হিসেবেই ব্যবহৃত হয়েছে। পরে ১৪৫৩ সালে অটোম্যান সম্রাট মেহমেদ কর্তৃক ওই এলাকা ইসলামের অধীনে আসলে স্থাপত্যটিকে মসজিদে রূপান্তর করা হয়।

হাজিয়া সোফিয়া মূলত তার বড় গম্বুজের জন্য বিখ্যাত। যখন নির্মাণ করা হয়েছিল তখন এটিই ছিল পৃথিবীর সর্ববৃহৎ বিল্ডিং। একে বলা বাইজেন্টাইন স্থাপত্যশিল্পের সবচেয়ে সুন্দর নমুনা। এর নির্মাণের পরই বিশ্বের স্থাপত্যশিল্পে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে।

হাগজিয়া সোফিয়া মসজিদ হবে নাকি জাদুঘর- বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ দেখা গেছে বিভিন্ন খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মধ্যেও। ইস্তাম্বুলের খ্রিস্টান সম্প্রদায় বার্থোলোমেও এই স্থাপত্যকে জাদুঘর হিসেবে রাখার দাবি জানিয়েছে সরকারের কাছে। তারা হুমকি দিয়ে বলছে, যদি হাজিয়া সোফিয়া মসজিদে রূপান্তর হয় তাহলে এই বিশ্বের সব খ্রিস্টান মুসলমানদের বিপরীতে চলে যাবে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও চান, হাজিয়া সোফিয়া জাদুঘর থাকুক। এ বিষয়ে তিনি তুর্কি সরকারের কাছে আর্জিও জানিয়েছেন।

তবে কারো আর্জি ও দাবিই আমলে নিচ্ছেন না তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান। তিনি বলেন, তুরস্কে ৪৩৫টি চার্চ সাইনাগোগুইস আছে। সেখানে খ্রিস্টান ও ইহুদিরা নিজেদের প্রার্থনা করতে পারবেন।

sheikh mujib 2020